প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রাইম ব্যাংক মুনাফার পিছনে ছোটেনি কোয়ালিটি ব্যাংকিংয়ে প্রাধান্য দিয়েছে : এমডি রাহেল আহমেদ

মাসুদ মিয়া: প্রাইম ব্যাংক মুনাফার পিছনে ছোটেনি জানিয়ে এমডি রাহেল আহমেদ বলেন, আমরা কোয়ালিটি ব্যাংকিংয়ে প্রাধান্য দিয়েছি। যা আমাদের বিগত বছরগুলোর ক্রেডিট রেটিং রিপোর্টি থেকে স্পষ্ট ফুটে ওঠে। সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রাহেল আহমেদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারণী ঋণের সীমা মানতে গিয়ে আমাদের খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিং করতে হয়েছে। তাই মুনাফা সামান্য কমেছে। ১৯৯৫ সালের আজকের দিনে ‘একটি ব্যতিক্রমধর্মী ব্যাংক’ শ্লোগানে যাত্রা শুরু করে প্রাইম ব্যাংক। যাত্রার শুরু থেকে প্রাইম ব্যাংক তার সৃজনশীল কর্মকান্ড দিয়ে ব্যাংকিং সেক্টরে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল; যা আজও অব্যাহত আছে। গত ২৩ বছরে আমরা গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাদের কাছে আস্থা সৃষ্টি করতে পেরেছি।

এসএমই ও রেটেলকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা জানিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রাইম ব্যাংক আগামী ২০২১ সালকে টার্গেট করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ণ করেছে। যার লক্ষ্য পূরণে মূল্য প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘One bank, One team,। এ জন্য আমরা এসএমই ও রিটেইল সেক্টরের বিনিয়োগ দ্বিগুন করতে চাই। সা¤প্রতিক সময়ে অর্জনের বিষয়গুলো তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরো বলেন, ২০১৭ সাল শেষে আমাদের আমানতের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯০১ কোটি টাকা, বিনিয়োগের পরিমান ১৯ হাজার ৮৩২ কোটি, আমাদের বর্তমান সম্পদের পরিমান ২৫ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। বর্তমানে সারাদেশে আমাদের ১৪৬টি শাখা, ১৭০টি এটিএম বুথ এবং সিঙ্গাপুর ও ইউকেতে ৩টি এক্সচেঞ্জ হাউজ রয়েছে।

এছাড়াও হংকংয়ে আমাদের ১টি ট্রেড ফাইন্যান্সিং কোম্পানি রয়েছে। দেশেও ২টি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি রয়েছে। এগুলো হলো- প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টন্টে ও প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড। সরকারি ট্রেজারী বিল ও বন্ড বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রাইমারী ও সেকেন্ডারি মার্কেটে আমরা শক্ত অবস্থানে রয়েছি। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের বেস্ট প্রাইমারী ডিলার ব্যাংক পুরস্কার, আইসিএমএবি কর্তৃক বিভিন্ন পুরস্কার ও এসএএফএ এ্যাওয়ার্ড পুরস্কারও পেয়েছি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ব্যাংকের বিতরণকৃত মোট ঋণের (১৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা) মধ্যে শিল্প ঋণ প্রদান করা হয়েছে ৫৫.৩৯ শতাংশ। যা ২০১৬ সালের তুলনায় ৪৩.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, ২০১৭ সালে মোট শিল্প ঋণের মধ্যে বৃহৎ শিল্পের শেয়ার ৭০.৭৬ শতাংশ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৭ সালে বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে ৯.২৯ শতাংশ এসএমই খাতে ঋণ দেওয়া হয়েছে। যা ২০১৬ সালের তুলনায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক, গোলাম রব্বানী, তৌহিদুল আলম খান, সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ