প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বছরের শেষে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ শুরু করবো’

প্রতিবেদক : সবে শেষ হল বৈশাখের ব্যস্ততা, আবার মিডিয়াপাড়া কর্মব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। ঈদের নাটকের ব্যস্ততা ও নিজের প্রথম চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে প্রতিবেদকের সাথে আলাপ হল তরুণ নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ানের। নিজের সাম্প্রতিক ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে তার সাথে আলোচনায় হয়।  নিচে আমাদের সময় ডটকমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল-

বৈশাখের পর সামনে ঈদ আসছে। ব্যস্ততার মাত্রা হয়তো বাড়ছে। এই প্রসঙ্গে শুরুতে জানতে চাই—

হ্যাঁ, ব্যস্ততার মাত্রা একটুতো বেড়েছে। ঈদের এবার ৩টি নাটক নির্মাণ করছি। এরমধ্যে একটি টেলিফিল্মের কথা আমি ‘বড় ছেলে’ প্রচারের পর বলেছিলাম। ‘প্রবাসী’ শিরোনামে একটি টেলিফিল্ম করছি ঈদের জন্য। আরো দুটি নাটক রয়েছে কিন্তু এটি নিয়ে আমার প্রত্যাশাটা বেশি। এটি অর্ধেক শুটিং হবে দেশের বাইরে, বাকি অর্ধেক দেশে। এখনো স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ চলছে। লোকেশন নিয়ে ভাবছি। শিগগিরই হয়তো চূড়ান্ত কিছু জানাতে পারবো। এছাড়া নতুন আরো একটি ধারাবাহিকে কাজ শুরু করবো।

আপনার প্রথম ধারাবাহিক ‘গল্পগুলো আমাদের’ প্রচার হচ্ছে। একক নাটক বা ধারাবাহিক নির্মাণের ক্ষেত্রে কোন জায়গাটিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?

যেহেতু প্রথম ধারাবাহিক তাই অভিজ্ঞতার জায়গাটা ছোট। তবে আমার মনে হয়েছে একক নাটক বা টেলিফিল্মকে আমি এগিয়ে রাখবো। কারণ ধারাবাহিক অনেকদিন ধরে কাজ করতে হয়। দেখা যায় কয়েক পর্ব প্রচারের পর লোকেশন বা আর্টিস্টের শিডিউল নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আমার মনে হয় ধারাবাহিক নির্মাণের ক্ষেত্রে অর্ধেক কাজ শেষ করে টেলিভিশনে জমা দিয়ে ভালো হয়।

আপনার নাটকে প্রচায় একটি অভিনয়শিল্পী দেখা যায়। এটি কি কাজের স্বাচ্ছন্দ্যবোধের জায়গা থেকে, না-কি গল্পের প্রয়োজনে?

গল্পের প্রয়োজনে ঠিক বলবো না। টিভি নাটকে এখন যারা জনপ্রিয় আমি মূলত তাদের কয়জনকে নিয়ে কাজ করি। সেই জায়গা থেকে এখন স্বাচ্ছন্দ্যবোধের জায়গাটাও তৈরি হয়েছে বলতে পারেন। আমার মতে এটি প্রায় সব নির্মাতাদের থাকে।

চলচ্চিত্র নির্মাণের কথা বলেছিলেন। কবে নাগাদ শুরু করবেন?

বছরের শেষে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ শুরু করবো। এখন স্ক্রিপ্টের কাজ চলছে। সেই প্রস্তুতি নিচ্ছি এখন। ইত্তেফাক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ