প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পোষা প্রাণীর যোগাযোগেও ব্যবহার হচ্ছে প্রযুক্তি

মমিনুল হক: প্রযুক্তি গ্রাস করছে আমাদের, অসহনশীল করে তুলছে মানব জাতিকে, এমন শতাধিক অভিযোগ আছে প্রযুক্তির বিরুদ্ধে।তবে এর ইতিবাচক দিকই বেশি।বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এক বিন্দুতে মিলিত করতে সক্ষম এটি আবার জ্ঞানের প্রসারেও প্রযুক্তির ভূমিকা রয়েছে। মানব জাতির যোগাযোগকে ছাড়িয়ে পোষা প্রাণীর যোগাযোগেও ব্যবহার হচ্ছে প্রযুক্তি।

উন্মুক্ত মাঠে ঘুরে বেরাচ্ছে শতাধিক গরু। বন্য নয়, এগুলো জরজিয়া সেভেন ওএক্স স্টেরিও ফার্মের, যার মালিক রিচার্ড ওয়াটসন ।খামার পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করেন তিনি।গরুর সর্বশেষ অবস্থা জানতে প্রতিটির গলায় ইন্টিলিজেন্ট ডেইরিফার্মাস এ্যাসিসট্যান্ট (আই ডি এ) নামের ডিভাইস লাগিয়েছেন এই প্রযুক্তি নির্ভর খামারী। স্নায়ুবিক নেটওয়ার্কের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য এতে ব্যবহৃত হয়েছে গোগলের কানেক্ট ডেটা প্রযুক্তি আর সংগৃহিত তথ্য বার্তা হিসাবে খামারীর কাছে পৌঁছে দিতে ব্যবহার হয়েছে সেন্সর প্লাটফর্ম।

খাওয়া, পান করা, জাবর কাটা, হাটাঁ গরুর প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য পাঠাবে এ যন্ত্রটি । এ খামারের গরুগুলো শুধু ডেইরি শিল্পের অংশ নয় সেগুলো নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে, এটি সত্যি আকর্ষণীয় ।গরু অসুস্থ হলে রক্ত ঝরলে কিংবা দুধ উৎপাদন কমে গেলে খামারীর কাছে যাবে বার্তা। এছাড়া মেরুদন্ড সংকোচনের বার্তা দিতে গাভীর লেজে লাগানো হয়েছে মোকল্ট কেলভিন সেন্সর নামে ডিভাইস।খামারে প্রযুক্তির ব্যবহার আরোও বাড়াতে চান ওয়াটসন, এতে উৎপাদনও বাড়ছে বলে জানান তিনি। গরুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ ফার্ম আমাদের কাছে শুধু ব্যবসা নয় সব কিছুর আগে প্রতিটি গরুর সুস্বাস্থ্য আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।এ দুই প্রযুক্তিতে মোশন সেন্সর ও কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় ঘটেছে।ফলে পোষা প্রাণীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের পাশাপাশি উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি হয়েছে বেড়েছে মুনাফার হারও।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত