প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলতি বছরে রমনা বটমূলে বোমা হামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল নিষ্পত্তি

ডেস্ক রিপোর্ট : রমনা বটমূলে চলছিলো বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে বোমা হামলা করেছিলো হরকাতুল জিহাদের (হুজি) জঙ্গিরা। প্রায় দেড় যুগ আগে ওই হামলার ঘটনায় করা হত্যা মামলার বিচারের একটি ধাপ শেষ হয়েছে। এতে পরিকল্পনা ও হামলাকারী আট জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত।

এখন সেই জঙ্গিদের মৃত্যুদন্ড নিশ্চিতকরণের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টে বিচারাধীন। চলতি বছরেই এই ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করছেন মামলার পক্ষগণ।

এদিকে বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার এখনো শেষ হয়নি। বিচারিক আদালতে মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহন পর্যায়ে রয়েছে। ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত। বারবার সমন পাওয়ার পরেও সাক্ষী গরহাজিরার কারনে শেষ হচ্ছে না বিচারের প্রথম ধাপ। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহন করে বিচার কবে শেষ হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কোন পক্ষের কৌসুলিরা।

তবে ঢাকা মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু বলেন, সাক্ষী হাজির করা গেলে চলতি বছরেই বিচার শেষ করা সম্ভব হবে। এদিকে এই মামলার প্রধান আসামি হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করেছে সরকার। সিলেটে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১০ ব্যক্তি নিহত হন। ওই ঘটনায় রমনা থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। দায়েরের এক যুগ পর হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। যাবজ্জীবন দণ্ড দেয় ৬ জনকে। মৃত্যুদণ্ডের এই রায় অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা খালাস চেয়ে আপিল করেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় পেপারবুক প্রস্তুত হয়।

এরপরই মামলাটি শুনানির জন্য বিচারপতি এম.ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে পাঠান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। ওই বেঞ্চে পেপারবুক পড়া শেষে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষ প্রাথমিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। কিন্তু শুনানি শেষের পূর্বেই বেঞ্চের এখতিয়ারে পরিবর্তন আসে। ডেথ রেফারেন্সের পরিবর্তে ফৌজদারি মোশন ও দুদক সংক্রান্ত মামলার শুনানির এখতিয়ার দেয়া হয় ওই বেঞ্চকে। ফলে শুনানি শেষ করা সম্ভব হয়নি। ঝুলে যায় মামলাটি। এরপর শুনানির জন্য বিচারপতি মো.রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চে পাঠানো হয়। ওই বেঞ্চের কার্যতালিকার ১৭ নম্বর ক্রমিকে অন্তভূর্ক্ত রয়েছে মামলাটি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল বলেন, অবকাশের পর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের দ্রুত শুনানি শুরু হবে। শুনানি শুরু হলে ২/৩ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করছি। সূত্র : ইত্তেফাক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত