প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইন্টারভিউ দেয়া হলো না মাহিদের

ডেস্ক রিপোর্ট : একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মাহিদ আল সালাম।

রোববার রাত সাড়ে ১২টার বাস ধরতে রিকশায় সিলেটের মদিনা মার্কেট থেকে কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সুরমা নদীর ওপর ক্বীন ব্রিজ পাড়ি দিতেই দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুর আহত হন মাহিদ।

রিকশাচালকের বরাত দিয়ে সোমবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রিপন বলেন, রাত সাড়ে ১২টায় গুরুতর অবস্থায় রিকশাচালক তাকে নিয়ে দক্ষিণ সুরমার ফেমাস মার্কেটের একটি ফার্মেসিতে যান। অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ফার্মেসির কর্তব্যরত লোকজন।

রাত পৌনে ১টার দিকে ক্বীন ব্রিজ এলাকায় কর্তব্যরত দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ফাঁড়ির এএসআই তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে আধঘণ্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহিদ আল সালাম। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মাহিদ আল রিপন নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামের ছেলে।

দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মাহিদ আল সালাম সবার ছোট। তার এক বোন আফসানা সালাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক, আরেক বোন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক এবং ভাই লন্ডন প্রবাসী।

তার খালু সিলেট জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম বলেন, সিলেটে অনুষ্ঠিত চাকরিমেলায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে আবেদন করেন মাহিদ। সে সুবাদে ওই রাতে ঢাকায় ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য বাসে রওনা হওয়ার কথা ছিল।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, মাহিদের ঊরুতে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তার সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ছিনতাইকারীরা তাকে ছুরিকাঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি মারা যান। নিহত মাহিদ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ফল প্রত্যাশী ছাত্র বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। সূত্র : যায়যায়দিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত