প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজীর বিরুদ্ধে আবাহনীর বিশাল জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক: আবাহনীতে নাম লিখিয়েই ঝড় তুললেন ভারতীয় ক্রিকেটার হনুমা বিহারি। অন্ধ্র প্রদেশের এই ক্রিকেটারদের খুব বেশি চেনার কথাও নয় কারও। জাতীয় দলে তো খেলেনইনি, এমনকি আইপিএলেও তাকে খুব বেশি দেখা যায়নি; কিন্তু আবাহনী কর্মকর্তারা যে খাঁটি জহুরি ধরে নিয়ে এসেছেন, সেটা চোখ বন্ধ করে স্বীকার করা যায় এখন। কারণ, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগে আবাহনীর হয়ে প্রথম মাঠে নেমেই খেললেন ১০৯ রানের বিশাল ইনিংস। যদিও বল খেলেছিলেন ১২৪টি।

হনুমা বিহারির ব্যাটিংয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ২৭৮ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তোলে মাশরাফি-নাসিরদের দল আবাহনী লিমিটেড। জয়ের জন্য ২৭৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সানজামুলের ঘূর্ণি, মাশরাফিদের তোপের মুখে ২০৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় গাজী। ফলে ৭৩ রানের বিশাল জয়ে প্রথম ম্যাচেই এগিয়ে গেলো ধানম-ির আকাশী-হলুদ জার্সিধারীরা।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সুপার লিগের প্রথম ম্যাচেই গতবারের চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের মুখোমুখি হয় আবাহনী লিমিটেড। টস জিতে সকালে আবাহনীকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান গাজীর অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই এনামুল হক বিজয় এবং নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আবাহনী। দলীয় ১৭ রানেই পড়ে ২ উইকেট।

এরপর সাইফ হাসানকে নিয়ে ৫২ রানের মাঝারি মানের জুটি গড়েন হনুমা বিহারি। ৬৩ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়ে যান সাইফ হাসান। এরপর অধিনায়ক নাসির হোসেনও টিকতে পারলেন না। অনুর্ধ্ব-১৯ দলের বোলার নাঈম হাসানের ঘূর্ণিতে নাসির আউট হয়ে যান ৯ রান করে।

৯১ রানে ৪ উইকেট পড়ার পরই ঘূরে দাঁড়ায় আবাহনী। হনুমা বিহারী আর মোহাম্মদ মিঠুন মিলে গড়েন ১৩৬ রানের বিশাল এক জুটি। ১২৪ বলে ১০৯ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন বিহারি। আবাহনীর রান তখন ৫ উইকেট হারিয়ে ২২৭। খেলা বাকি ছিল তখনও ২৬ বলের। এই ২৬ বলেই ৫১ রান তোলে আবাহনী। মোহাম্মদ মিথুন, মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ঝড় তোলেন। সৈকত ৬ বলেই খেলেন ২৩ রানের ইনিংস। একাই ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। ১১ বলে ১৪ রান তোলেন মাশরাফি। ৬১ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ মিথুন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপদে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ৫ রান করে নিয়ে বিদায় নেন দুই ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি এবং ইমরুল কায়েস। গাজীর ভারতীয় রিক্রুট অনুস্তাপ মজুমদার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন হাল ধরার। তিনি প্রথম ডিপিএলে খেলতে নামেন গাজীর হয়ে। মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ৬৪ রান করেন তিনি। সানজামুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড না হলে হয়তো আরও দুর দলকে টেনে নিতে পারতেন তিনি।

মুমিনুল হক সৌরভ করেন ৪৬ রান। খেলেন ৫১ বল। তাসকিনের বলে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন জাকির আলি। ২০ রান করেন আসিফ আহমেদ। নাদিফ চৌধুরী করেন ১৮ রান। ৫০ রান দিয়ে একাই ৪ উইকেট নেন সানজামুল ইসলাম। ২ উইকেট করে নেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তাসকিন আহমেদ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত