প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোলায় সন্ত্রাসী হামলায় কলেজছাত্রীর শরীর ব্লেডের আঁচড়ে ক্ষত-বিক্ষত

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর সারা শরীর ব্লেড ও ধারালো চাকু দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত তুহিন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) ভোরে মেয়েটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার রাতে দৌলতখান উপজেলার কলাকোপা গ্রামের জমাদারবাড়িতে ব্লেড ও ধারালো চাকু দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করার এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

আহত ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানায়, তার পরিবারের সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের ছেলে তুহিন (৩০) ও ইউসুফ মিজির ছেলে জিন্নাদের (২০) জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে জিন্না তাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। সে তার খালার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করত। দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে দুই দিন আগে মায়ের কাছে বেড়াতে আসে।

গত বুধবার ঘরের সবাইকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করলে, তারা সবাই অচেতন থাকা অবস্থায়, মেয়েটি রাত ৩টার দিকে পানি খেতে পাশের কক্ষে গেলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা জিন্না, তুহিন, পাভেলসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তার চোখ-মুখ ও হাত-পা বেঁধে পুরো শরীরে ব্লেড ও চাকু দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে। পরিবারের দাবি, ঘরের সবাইকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে রাখায় তারা মেয়েটির চিৎকার করলেও কেউ শুনতে পায়নি।

খবর পেয়ে ভোলা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও প্রভাষক জামাল উদ্দিনসহ সহপাঠীরা গুরুতর আহত ছাত্রীকে দেখতে ভোলা সদর হাসপাতালে যায়। এসময় ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষেভের সৃষ্টি হয়। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

দৌলতখান থানার পরিদর্শক এনায়েত উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অতি দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সূত্র: কালেরকণ্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত