প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারি পরিকল্পনায় স্থানীদের ভোগান্তি

হ্যাপী আক্তার : লালমনিরহাটের দহগ্রামে প্রায় তিন হাজার পরিবারের ১৪’শ ৫০ একর আবাদি জমি সরকারী খাস জমি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কৃষকদের অজ্ঞতা ও কর্মকর্তাদের গাফিলতিতে খাস হওয়া ফসলি জমিতে সরকার এখন গুচ্ছকগ্রাম নির্মাণসহ নানা পরিকল্পনা করছে। এতে ফসলি জমি হারিয়ে পথে বসার শঙ্কা করছে ভুক্তভোগীরা।

ছটমহলের দীর্ঘ অবরুদ্ধ জীবন শেষে ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত হয় দহগ্রামের বিশ হাজার মানুষ। পিছিয়ে থাকা মানুষগুলোকে মূলধারায় সংযুক্ত করতে শুরু হয় সরকারের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ।

এরই অংশ হিসেবে ভূমি জরিপে মাঠে নামে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর। জরিপে দখলসত্বঃ মালিকানায় রেকর্ড হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের অজ্ঞতা ও কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে ১৪’শ ৫০ একর আবাদি জমি সরকারী খাস হিসেবে রেকর্ড হয়। এতে আবাদী জমি হারিয়ে পথে বসার আশঙ্কায় পড়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কৃষকের পৈত্রিক ফসলী জমিতে এরই মধ্যে একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করা হয়েছে। পাশেই আরো একটি আদর্শ গ্রামসহ বনায়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা করছে সরকার। এতে উপকারের চেয়ে তাদের ক্ষতিই হবে বলে মনে করছে স্থানীয়রা। তারা বলছে, এই গ্রামে প্রায় ২ হাজার পরিবার বসবাস করে। ফসলি জমি যদি খাস জমি হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকার যে ফসল উৎপাদন হয় তার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

বিষয়টি বিবেচনা করে আইনি লড়াইয়ের পরামর্শ দিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

লালমনিরহাট পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম বলেছেন, সিভিল কোর্ট খোলা আছে, সেখানে জমির কাজপত্র দেখার পরে আমাদের দেখাবেন। তাহলেই যে কার্যক্রম চলছে তা বন্ধ করা দেওয়া হবে।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ বলেছেন, কৃষি জমির যে বন্দোবস্তের যে প্রক্রিয়া তা চলমান আছে। কোনো কৃষক যদি আমাদের কাছে আবেদন করেন, যে ভূমি হিসেবে আমি খাস জমি চাই তাহলে তাদের জমি দিয়ে দেওয়া হবে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত