প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোটের আগে আর সংলাপে যাবে না ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট : একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আর সংলাপে বসবে না নির্বাচন কমিশন। এমনকি সব রাজনৈতিক দলকে ভোটে আনতে নতুন কোনো উদ্যোগ নেবে না সাংবিধানিক এই সংস্থা। একাদশ সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল নির্বাচন কমিশনকে বললেও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না তারা।

ইতিমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে আলাদা কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে না। সেইসঙ্গে একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

ফেব্রুয়ারিতে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের পরে গত ২৪ আগস্ট থেকে শুরু করে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধিত ৪০ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রথম দফা সংলাপ করে ইসি। যদিও ওই সংলাপের অনেকেই ভোটের আগে আরেক দফা সংলাপে বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এবং বিগত ড. এ টি এম শামসুল হুদা কমিশনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দুই দফা সংলাপ করেছিল।

ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের অগ্রাধিকারমূলক কাজের চাপ থাকবে; নভেম্বর-ডিসেম্বরে তফসিলের আয়োজন চলবে। সেক্ষেত্রে জুনের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে সিটি নির্বাচন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ চলছে। তাই ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করার মতো সময় নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। তবে ভোটের আগে সংলাপ করতে পারলে ভালো হতো।

ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলের সংলাপ থেকে পাওয়া ৫৩১টি সুপারিশের মধ্য থেকে ৩১টি প্রস্তাবের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। তার আলোকেই সংশোধনী প্রস্তাব করছে ইসি। এমনটি সংলাপের আলোচিত বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশন কতটুকু আমলে নিতে পারবে সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকেই। তারা বলছেন, সংলাপের প্রস্তাবের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার বহির্ভূত বিষয় যেমন রয়েছে। তেমনি নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতে অভিন্ন প্রস্তাবও রয়েছে।

আবার একই বিষয়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে পরস্পর বিরোধী প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তাই ভোটের আগে আর সংলাপ করবে না ইসি। দ্বিতীয় দফা সংলাপ হলে ইসির প্রতি দলগুলোর অনাস্থা আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের উপনির্বাচনের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের ব্যাপারে আলাদা করে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে না। আমরা আশা করি সবাই নির্বাচনে আসবে। যখন সংলাপ হয়েছে তখন প্রত্যেকটি দলকে বলেছি আপনারা সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। নতুনভাবে আর কিছু আমরা করব না।

এ ছাড়া ‘নির্বাচন কমিশনের প্রতি জাতীয় পার্টির আস্থা নেই’— হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের এমন বক্তব্যের ব্যাপারে সিইসি বলেন, আমাদের যে দায়িত্ব-কর্তব্য সেটা আমরা নিরপেক্ষভাবে এবং নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি। তিনি (এরশাদ) কেন এমন কথা বলেছেন তার উত্তর তিনিই দিতে পারবেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত