প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদকের প্রবাহটা বন্ধ হতে দেখছি না

রাজেকুজ্জামান রতন : মাদকের ঘটনাটা গোটা পৃথিবীতেই একটা আলোচিত বিষয়। বাংলাদেশ বেকারত্ব ও দারিদ্রতার কবলে পড়ে থাকা একটি দেশ। এই দেশের যুবসমাজ যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে তাহলে তাদের বর্তমান যেমন নষ্ট হবে, ভবিষ্যৎটাও তেমনই দুর্ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। সে কারণে আমরা মনে করি, মাদকের বিরুদ্ধে একটা কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। প্রতিদিন ২৪ লক্ষ মানুষই নাকি ইয়াবা সেবন করে। গড়ে যদি প্রত্যেকের জন্য ৪০০ টাকা করেও খরচ হয় তাহলে দৈনিক প্রায় ৯৬ কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে শুধুমাত্র ইয়াবার পেছনে।

এই ইয়াবা আসে কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে। আমাদের দেশের ১৫ টি পয়েন্ট দিয়ে এই ইয়াবা আসে । যেটা আমরা পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত খবর দেখছি। তাহলে ইয়াবা বন্ধ হচ্ছে না কেন ? ফেনসিডিল আসে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে। সেই ফেনসিডিল আসার যে ৩৭ টি পয়েন্ট বলে উল্লেখ করা হয় পত্র-পত্রিকায়, সেটা বন্ধ হচ্ছে না কেন ? এগুলো দেখলে মনে হয়, আমরা জানি কোন দিক থেকে মাদক আসতেছে। কিন্তু আমরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার মধ্য দিয়ে মাদকের প্রবাহটা বন্ধ হতে দেখছি না। এর পাশাপাশি আবার অভিজাত শ্রেণীর মানুষদের জন্য আরো বিভিন্ন ধরণের মাদকের কথাও আমরা শুনছি। এগুলো সামগ্রিকভাবে আমাদের তরুণ সমাজকে ধ্বংস করে ফেলবে।

সুতরাং আমরা মনে করি, ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে মাদক নিয়ন্ত্রনে একটা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। মাদক ব্যবসার মূল হোতা যারা, যাদের নাম অন্ততঃ পত্রিকায় এসেছে, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত এবং এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।

পরিচিতি: কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাসদ/মতামত গ্রহণ: এইচ. এম. মেহেদী/সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত