প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পদ্মা সেতুর নির্মাণ খাতে পরিবর্তন

ডেস্ক রিপোর্ট : পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয়ের খাতে পরিবর্তন আসছে। সুইমিংপুল নির্মাণ খাতে নতুন করে ব্যয় ধরা হচ্ছে। এ ছাড়া মূল সেতুর গ্যাস পাইপলাইন ডিজাইনের জন্য খরচেও পরিবর্তন আসছে। অন্যদিকে প্রকল্প এলাকায় একটি হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে নতুন করে। সম্প্রতি হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ডসভা। অবশ্য প্রকল্প এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের বর্তমান নির্ধারিত ব্যয় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ধরা হয়েছে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। নতুন করে সেতু নির্মাণ খাতের খরচে পরিবর্তন আসছে। সুইমিংপুল ও গ্যাস পাইপলাইনের কারণে এ পরিবর্তন। প্রকল্পের পরামর্শকের মাধ্যমে মূল সেতুর কাজের জন্য দুটি ভেরিয়েশন অর্ডারের সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্ভিস এরিয়া ২-এর জন্য সুইমিংপুল থাকবে। এ জন্য ব্যয় হচ্ছে ৪০ লাখ ৯২ হাজার ৫৭৭ টাকা। আবার মূল সেতুর গ্যাস পাইপলাইন ডিজাইনের জন্য এক কোটি ৪০ লাখ টাকার সংস্থান ছিল। কিন্তু এ খাতে ব্যয় বাড়াতে হচ্ছে। ৪ কোটি ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ধরতে হচ্ছে ঠিকাদারের দরপ্রস্তাব মূল্যায়নের ভিত্তিতে। তবে এ খাতে অতিরিক্ত ২ কোটি ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বহন করা যাবে ফিজিক্যাল কনটিনজেনসি খাত থেকে। ফলে মোট টাকার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।

এদিকে সড়কপথে যাতায়াতকালে দুর্ঘটনার প্রতিকার ও জরুরি চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার জনসাধারণের আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। পদ্মা সেতুর পশ্চিম পাশে সবার জন্য আধুনিক হাসপাতাল গড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি বোর্ডসভায় এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৫০০ শয্যায় রূপান্তরের সুবিধা রেখে আপাতত ৫০ বেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ইমারজেন্সি/ট্রমা সেন্টার, অর্থপেডিক্স/জেনারেল সার্জারি, মা ও শিশু, গাইনি অ্যান্ড অবস, জেনারেল মেডিসিন, চক্ষু ও দন্ত চিকিৎসার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে হৃদরোগের চিকিৎসার বিশেষ ইউনিট।

অন্যদিকে পদ্মাপারে একটি বিশ্বমানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য মন্ত্রিসভায় আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এ জন্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সেতু বিভাগকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির এ বিষয়ে চিঠিতে দ্বিপক্ষীয় সভা আহ্বান করতে অনুরোধ করেন। এর আগেও জমি বুঝিয়ে দেওয়াসহ এ ধরনের আহ্বান জানানো হলেও কখনো সেতু কর্তৃপক্ষ সাড়া দেয়নি বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছে পর্যটন করপোরেশন। সুত্র ; দৈনিক আমাদের সময়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ