প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনপ্রিয়তা বাড়াতে খালেদাকে জেলে রাখুন: তোফায়েল

আসাদুজ্জামান সম্রাট: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, খালেদাকে জেলে রাখেন, জনপ্রিয়তা বাড়বে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জেলে থাকলে নাকি বিএনপির জনপ্রিয়তা বাড়বে। তাহলে খালেদা জিয়াকে জেলেই রাখুন, নইলে তো জনপ্রিয়তা বাড়বে না। জনপ্রিয়তার ধরে রাখতে কোর্টে (আদালতে) যাবেন না, তার জন্য জামিন চাইবেন না।

বর্তমান সরকারের  উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় উন্নয়নের সূচকে এগিয়ে রয়েছে। দেশ আজ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না, জাতী কলঙ্কমুক্ত হতো না।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার দুর্নীতি সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত। টাকা এসেছে এতিমের জন্য, টাকা চলে গেল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে। যে ট্রাস্ট্রের চিহ্নও নাই। এখন আদালত রায় দিয়েছে। সেটা নিয়ে সরকারের কী করার আছে?

‘খালেদা জিয়া জেলে থাকায় বিএনপির জনপ্রিয়তা দিনে ১০ লাখ করে বাড়ছে’ মওদুদ আহমদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমার অবাক লাগে একজন শিক্ষিত লোক কীভাবে বলেন, তার নেত্রী খালেদা জিয়া যতদিন জেলে থাকবেন বিএনপির জনপ্রিয়তা তত বাড়বে। এমনকি প্রতিদিন আওয়ামী লীগের ১০ লাখ ভোট কমবে। তাই যদি হয় কোর্টে যাবেন না, জামিন চাইবেন না। খালেদা জিয়াকে জেলে রাখেন। জেল থেকে বের হলে তো আবার জনপ্রিয়তা আটকে যাবে।

মওদুদ আহমদের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই মওদুদ আহমদ ও আমরা ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে এক সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলাম। আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল রাজশাহী আর মওদুদ সাহেবকে ময়মনসিংহে। জেলখানায় ফ্লোরে ছিলাম। মওদুদ সাহেবও ছিলেন। এরপর ২০০২ সালে সিঙ্গাপুর থেকে আসার পর গ্রেফতার করে এরশাদ শিকদারের সাথে রাখা হয়েছিল। জেলখানায় আমরা ফ্লোরিং করেছি। হাতকড়া পড়িয়ে কুষ্টিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। যেই ফেরিতে পাঠানো হয়েছিল সেই ফেরিতে মুজাহিদের পাতাকাবাহী গাড়ি ছিল, ধিক সেই বাংলাদেশ! এটা খালেদা জিয়া করেছিলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেত্রীত্বে এগিয়ে যাবে। আমরা জঙ্গিমুক্ত হয়েছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক সুচকে এগিয়ে রয়েছে। আইটি খাতে ভবিষ্যতে আমরা ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবো। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না, জাতি কলঙ্কমুক্ত হতো না।

দেশের বিভিন্ন সূচকে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হতে চলেছি। দেশ ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত