প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পারবে কি ইসি?

ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি বছরকে এক রকম নির্বাচনের বছর বললেও ভুল হবে না। নির্বাচনের এ বছরকে ‘সফল’ করতে কাজ করে যাচ্ছে হুদা কমিশন। গত বছর দায়িত্ব পাওয়ার পর কুমিল্লা ও রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারের বাইরে অন্য দলগুলোরও কিছুটা আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এক্ষেত্রে কুমিল্লায় জয়লাভ করেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। অপরদিকে রংপুরে জয়লাভ করেছে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী। তবে আসছে পাঁচ সিটি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো। সবশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্তমান কমিশন ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে মাঝেমধ্যে সংশয়-শঙ্কা যেন শেষ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ইসি সচিব (ভারপ্রাপ্ত) হেলালুদ্দিন আহমদ ভোরের পাতাকে বলেন, সবগুলো নির্বাচন যাতে ঠিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৪০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষে সবগুলো দলের সংক্ষিপ্ত চাহিদা সরকারের কাছে তুলে ধরার কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু সেই সারসংক্ষেপ এখনো তুলে ধরা হয়নি। এ ব্যাপারে হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, শিগগিরই এর সারসংক্ষেপ সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে।

জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন রোডম্যাপ ঘোষণা করলেও, সময়ানুযায়ী সার্বিক ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ইসি। এক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয় মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে অনিবার্যকারণে উত্তর সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা স্বভাবতই রোডম্যাপে উল্লেখ থাকবে না।

সূত্র জানায়, বিএনপির আমলে খান মুহাম্মদ (কে এম) নূরুল হুদাকে ওএসডি করে রাখা হয়েছিল। তিনি আওয়ামী লীগার হিসেবে নানা জায়গায় পরিচিত। এমন ব্যক্তি বিএনপির সঙ্গে সংলাপের আগে জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন। তার ওই বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের ওপর কিছুটা আস্থা ফিরে পায় বিএনপি। অপরদিকে খান মুহাম্মদ নূরুল হুদার বক্তব্যকে ঘিরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নানা কথা এলেও তিনি তাতে কান দেননি।

সূত্র আরও জানায়, তৃতীয় বিশে^র দেশগুলোর পক্ষ থেকে স্বীকার করা না হলেও জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে ‘মোড়ল’ দেশগুলো। এক্ষেত্রে নানা এইডের (সাহায্য-সহযোগিতা) কথা বিবেচনায় আনা হয়। এমনকি আন্তর্জাতিক নানা দাতা সংস্থার অর্থায়নও মাথায় আসে কিছু সময়। কিন্তু স্বাধীনভাবে নির্বাচন করাটাই মূল কথা।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার ভোরের পাতাকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত হবে কারো কথা না শুনে সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বর্তমান নির্বাচন কমিশন যাতে সরকার বা অন্য কারো কথায় কান না দেয়, সেজন্য সতর্কাবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সবমিলে পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হবে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র : ভোরের পাতা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত