প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে ন্যায়সঙ্গত বিবেচনা প্রয়োজন (ভিডিও)

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ: কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা। এই দাবিগুলো সামনে রেখে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। কোটা ব্যবস্থা রাখা হয় বিশেষ একটি বিবেচনায়। যেমন কোনো একটি জাতির কোনো একটি অংশের লোক যদি খুব অসুবিধায় থাকে তাহলে তাদের জন্য কোটা ব্যবস্থা রাখা হয় এই কারণে যে তারা যেন সবার সমান হতে পারে।

সোমবার বিদাবগত রাতে চ্যানেল আইয়ের আজকের সংবাদপত্র অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক, গবেষক, ঐতিহাসিক, সমাজবিশ্লেষক, সাহিত্য সমালোচক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হক।

তিনি আরো বলেন, নারী কোটা একটা সময় প্রয়োজন ছিলো তারা অনেক দিক থেকে অনেক পিছিয়ে ছিলো। কিন্তু এখন তারা অনেক উন্নয়ন করেছেন। সুতরাং এখন নারীদের কোটা কিছুটা কমানো যেতে পারে। এই কোটা বড় একটি অংশ দখল করে আছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা। তবে এই মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে ন্যায়সঙ্গত বিবেচনা দরকার। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু শুধু অস্ত্রের যুদ্ধের মাধ্যমেই নয়। রাজনীতি হচ্ছে প্রধান শক্তি। রাজনীতির পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী সবাই অংশ নিয়েছে।

আবুল কাসেম ফজলুল হক আরো বলেন, বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা কতদিন থাকবে সেটা একটি বড় প্রশ্ন। মুক্তিযোদ্ধাদের নাতী, পুতিদের কোটা থাকা একেবারেই উচিত নয়। আমি এমনটাই মনে করি। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, ১৯৭২,১৯৭২, ১৯৭৩ ইত্যাদি সালে সরকার চাকরির ক্ষেত্রে তাদেরকে বিশেষ সহযোগিতা করা হয়েছে। কিন্তু নাতী, পুতী ঢালাওভাবে সুযোগ দেওয়াটা ঠিক নয়।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত