প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাংবাদিক ইমরুল কায়েসের বই ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা কাঠগড়ায় সূচি’

নিজস্ব প্রতিবেদক :  অমর একুশে গ্রন্থ মেলার শেষ বেলায় এসেছে সাংবাদিক ইমরুল কায়েসের বই ‘ রোহিঙ্গা গণহত্যা কাঠগড়ায় সূচি’।

গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স প্রকাশিত বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার সুচিপত্র প্রকাশনীর ৩৫০ নাম্বার স্টলে। (স্যোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

লেখক বাংলাভিশনের কূটনৈতিক প্রতিবেদক। দীর্ঘদিন ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় বইটিতে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপট ও  রোহিঙ্গা গণহত্যার তথ্য ও তত্ত্ব ভিত্তিক ব্যাখা বিশ্লেষণ করেছেন।

দীর্ঘদিনের পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মিয়ানমার আরাকানে রোহিঙ্গা গণহত্যা চালিয়েছে। অর্থনৈতিক বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নির্বিঘ্ন করতে আরাকান থেকে রোহিঙ্গাদের সমূলে উচ্ছেদ করেছে বর্বর বর্মিরা। এর পেছনে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি জড়িত। গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে আগাগোড়া মুসলিম বিদ্বেষী সুচিকে সামনে রেখে ও তার সলরকারের সমর্থন এবং বড় কয়েকটি দেশের সমর্থনে বর্মি সেনারা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার সামনে থাকায় বহির্বিশ্ব প্রথমদিকে একটু উচ্চবাচ্চ করলেও পরে এ ইস্যুটি সময়ের আবর্তে ধীরে ধীরে চাপা পরে যাবে।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আর ফিরিয়ে নিতে হবে না-এমন ধারণা থেকেই শতাব্দীর ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়েছে বর্মি বর্বররা। প্রতিবেশী বড় কোন দেশের সমর্থন না পেলে বাংলাদেশও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে সফল হবে না, বাস্তবে হচ্ছেও তাই।

পশ্চিমারা বাংলাদেশ বা রোহিঙ্গাদের ভালবেসে নয়, বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চীন ও রাশিয়া বিরোধী অবস্থানের জন্যই কিছুটা চিৎকার চেঁচামেচি করছে। আদতে দক্ষিণ সুদান বা পূর্ব তিমুরের ক্ষেত্রে যেমনটি হয়েছিল তেমন ব্যবস্থা রোহিঙ্গা ইস্যুতে নেবে না। এর কারণ কি, কেনইবা মুসলিম বিশ্ব চুপটি মেরে রয়েছে, সব প্রশ্নের তথ্য ও তত্ত্ব ভিত্তিক ব্যাখা বিশ্লেষণ থাকবে ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা কাঠগড়ায় সুচি’ বইটিতে।

একইসাথে সুচি ও জেনারেল হ্লাইংকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর উপায় বাতলানোর প্রয়াস রয়েছে এতে। আশাকরি শতবছর পরও বইটি একটি দলিল হয়ে থাকবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত