প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুদক সরকারের টিকিটিও ছুঁতে পারবে না : রিজভী

শিমুল মাহমুদ : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দুদক চেয়ারম্যান নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন দেশে সুশাসন না থাকায় দুর্নীতি রোধ করা যাচ্ছে না। তার কথায় প্রমাণ হয়-তিনি সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহসী নন। ক্ষমতার জোরে শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা অনিয়ম ও সর্বব্যাপী দুর্নীতির জন্য এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। দুদক সরকারের টিকিটিও ছুঁতে পারবে না।
সোমবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনগণের টাকায় শেখ হাসিনা সরকারি সফরে গিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাচ্ছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছেন। এটা প্রধানমন্ত্রী করতে পারেন না, দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র থাকলে এটার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হতো। কিন্তু দুদক কী এ বিষয়ে কোন তৎপরতা দেখাতে পারবে?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘরে করেন বাইরে কেন? এই বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলে, আমি বলতে চাই-ওবায়দুল কাদের সাহেব কী আওয়ামী লীগের সম্পাদকের পাশাপাশি জোনাল সামরিক শাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। কারণ গণতন্ত্রে তো এ ধরণের ভাষা নেই। এখন হাসিনাতন্ত্র চলছে বলেই গণতন্ত্রহীন ভাষা প্রয়োগ করতে পারছেন ওবায়দুল কাদের সাহেবরা। আমরা যে কর্মসূচি পালন করছি তা গণতন্ত্রে স্বীকৃত কর্মসূচি। গণতন্ত্র মানে ঘরোয়া বা দহলিজে সভা করা নয়, বরং উন্মুক্ত স্থানে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করা।

রিজভী বলেন, জনসমাবেশ, প্রতিবাদ সভা, মিছিল করা ইত্যাদি রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষের অধিকার পুলিশের বিধি-নিষেধের ওপর নির্ভর করে না। সংবিধানের ৩৭ ও ৩৯ অনুচ্ছেদে সমাবেশের অধিকার এবং চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সমাবেশের জন্য পুলিশি অনুমতি নিতে হয় এমন নজিরতো পৃথিবীর কোন দেশে নেই।

তিনি বলেন, অপরাধ দমনের জন্য জনগণের টাকায় পুলিশ পালিত হয়, আর সেই পুলিশ অপরাধ দমন না করে রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকারকে নিষ্পিষ্ট করছে বুটের তলায়। পৃথিবীর কোন গণতান্ত্রিক দেশে এমন নজির দেখাতে পারবে না যেখানে বিরোধী দলের সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত