প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নীলফামারীতে ৫ লাখ রোগীর জন্য ৭ জন চিকিৎসক

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : নীলফামারীতে মাত্র ৭ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে ৫ লাখ মানুষের একটি সরকারি হাসপাতাল। পাশাপাশি কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রোগীরা। এদিকে প্রয়োজনীয় লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৫ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। রোগীদের কথা বিবেচনা করে ২০১১ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। অথচ আজও বাড়েনি কাঙ্খিত সেবার মান। মাত্র ৭ জন চিকিৎসক ও ৭ জন নার্স দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এই হাসপাতালটি।

একজন রোগী বলেন, ঠিকমত ওষুধ দিচ্ছে না। পাশাপাশি ডাক্তারেরও অনেক সংকট। আমাদের জটিল কোনো রোগের জন্য এখানে আসলে তার চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। কারণ এখানে সেরকম যন্ত্র বা বিশেষজ্ঞ নেই।

হাসপাতালের একজন কর্তৃপক্ষ বলেন, জনবল সংকট ও চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাবে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের।

একজন নার্স বলেন, ওয়ার্ড বয়, আয়া পর্যাপ্ত না থাকায় অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমরা দিতে পারছি না।

নীলফামারী জলঢাকা ৫০ শয্যা হাসপাতাল আরএমও ডা. দেবাশীষ রায় বলেন, আমাদের ৫০ হাজার যে জনবল রয়েছে সেটা পূরণ করার মতো লোক দিলে আমরা ভালো সার্ভিস দিতে পারবো।

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, সীমিত সংকট জনবল দিয়ে আমাদের সার্ভিস আমরা জনগণকে সন্তুষ্ট করতে পারবো। জনবল আরও বাড়বে আমাদের সার্ভিস আরও ভালোভাবে দিতে পারব।

সরকারি বরাদ্দ পেলে হাসপাতালের জনবল সংকট ও অন্যান্য সেবার মান বাড়ানোর আশ্বাস দিলেন সিভিল সার্জন।

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. রণজিত কুমার বর্মন বলেন, ডিজি অফিস থেকে কাগজ পাঠানো হয়েছে। এটা ব্যবস্থা হলেই জলঢাকা থেকে শুরু করে ৪ হাসপাতালের জনবল বৃদ্ধি করা হবে।
হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ৫শ’ রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়। তাদের কাঙ্খিত সেবার জন্য প্রয়োজন ২১ জন চিকিৎসক ও ১৬ জন নার্স।

সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত