প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে: ক্যাব

জান্নাতুল ফেরদৌসী: ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেছেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব আরো বলছেন, বিইআরসিকে পাশ কাটিয়ে তেলের দাম বাড়ানোর এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের নেই। গণশুনানি না হলে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। এরইমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

গত অক্টোবর থেকে বিশ্ববাজারে ঊর্ধমুখী জ্বালানি তেলের দাম। ফেব্রুয়ারিতে এসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছাড়ায় ৭০ ডলার।

এই অবস্থায় দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় বিপিসি। সংস্থাটি বলছে বেশি দামে আমদানি করে কম দামে বিক্রি করায় দিনে প্রায় ১০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৭ টাকা এবং ফার্নেস অয়েলের দাম ১৩ টাকা বাড়াতে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমালে অনেক ক্ষতি হতো। এখন ডিজেল ক্ষতিতে বিক্রি হচ্ছে।

গত তিন বছর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অনেক কম থাকলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কারণ দেখিয়ে দাম তেমন কমায়নি সরকার। এ সময়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে বিপিসি। তাই, নতুন করে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবকে অযৌক্তিক বলছে ক্যাব।

ক্যাব জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি বিভাগ আইন লঙ্ঘন করে বার বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে বিপিসির এ সমস্ত অস্বচ্ছতা, অনিয়ম এমনকি দুর্নীতিকে আরাল করছে। এখানে জ্বালানি বিভাগও স্বার্থ ও সংঘাতমুক্ত নয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের দাম বাড়ানো হলে উৎপাদন খরচ বাড়বে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হুমায়ূন কবীর বলেন, এর আগে যখন তেলের দাম কম ছিল তখন কিন্তু তেলের দাম ঐভাবে কমানো হয়নি। এখনও কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে অসহনশীল পর্যায়ে তেলের মূল্য বাড়েনি।

তবে লোকসান না হওয়ায় পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিপিসি। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত