প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমিতির টাকা আত্মসাত তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণ-উন্নয়ণ বহুমুখী সমবায় সমিতির ৩৫ কোটি টাকা আত্মসাত ও দুর্নীতির বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গণ-উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পাল্টা-পাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে দুই পক্ষকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সমবায় আইন মোতাবেক ডাকা হয়। কিন্তু ওই দিন এক পক্ষ হাজির হলেও অপর পক্ষ সময়বায় কার্যালয়ে হাজির হননি। ফলে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পুনরায় দুই পক্ষকে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়। ওইদিন দুই পক্ষ সময়বায় কার্যালয়ে হাজির হলেও গণ-উন্নয়ন সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম তার অভিযোগের পক্ষে যথাযথ প্রমাণপত্র উত্থাপন করতে পারেননি।
অপরদিকে গণ-উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাহিদা আক্তার মেরিন আরও অতিরিক্ত প্রমাণ পত্রের জন্য সময় চেয়েছেন বলে জেলা সমবায় কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন।

সাহিদা আক্তার আক্তার মেরিনের পক্ষ থেকে অভিযোগে বলেছেন, তাদের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী সঙ্গে নেওয়া হলেও সমবায় আইনে আইনজীবী রাখার বিধান নেই বলে উক্ত আইনজীবীর কোন ভমিকা রাখতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া মেরিনের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও পুনরায় লিখিত অভিযোগ চাওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, আবুল হাসেম সমিতির ২১জন সদস্যকে ওকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। আর ৩৫ থেকে ৪০ জন সদস্য কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় তাদের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগে ডিসি কোর্টে মামলা করেছেন। এই সমিতি গঠণতন্ত্র মোতাবেক পরিচালনা না করে পরিবার তন্ত্রের মাধ্যমে নিজের স্ত্রীকে সভাপতি, মেয়েকে সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। আর তাদের কমিশনের নামে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা অবৈধ উপায়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া জেলা সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ বাদি ও বিবাদীকে সমান অবস্থানে না রেখে পক্ষ পাতিত্ব করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য সম্প্রতি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এর হলরুমে গণউন্নয়ন সম্পাদক সাহিদা আক্তার মেরিন এবং সংবাদ সম্মেলনে সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন।

জানা যায়, আবুল হাসেম সম্প্রতি সমিতির টাকা দিয়ে নিজের নামে প্রায় দেড় কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। এই জনি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা সমবায় সমিতির কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, জমি ক্রয়ের বিষয়টি সমবায়কে লিখিত ভাবে জানানো হয়নি। তবে লোকমুখে সুনেছি। সমিতির টাকায় জমি ক্রয় করলে অবশ্যই সময়বায়কে লিখিতভাবে জানাতে হবে বলে জানান তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত