প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিনুর পাশে লিটন

ডেস্ক রিপোর্ট  : রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে যান মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। শনিবার রাত ৮টার দিকে লিটন পদ্মা আবাসিক এলাকার মিনুর বাসভবনে যান। সেখানে মিনুর পাশে কিছু সময় কাটান খায়রুজ্জামান লিটন। এ সময় তিনি মিনুর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য নাইমুল হুদা রানা, উপ-প্রচার সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ লেমন, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব প্রমূখ।

শুক্রবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান মিনু। শনিবার সকালে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে মিনু আশঙ্কামুক্ত বলে জানায়। তবে তাকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক বুলবুল আহমেদ জানান, ‘কপালের উপরে আঘাত পান মিজানুর রহমান মিনু। এতে কিছু অংশ কেটে যায়। সেখানে তিনটি সেলাই দেয়া হয়েছে। তবে আঘাতটি গভিরে যায়নি।’

চিকিৎসক বুলবুল বলেন, ‘মিজানুর রহমান মিনুকে ছয়দিন পর সেলাই কাটার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ওই দিন কাটা স্থানে পরীক্ষার (ড্রেসিং) করতে হবে। এছাড়াও তাকে সম্পন্ন বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।’

এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার খবর শনিবার সকাল থেকেই মিজানুর রহমান মিনুর বাড়িতে ভিড় জমান নেতাকর্মীরা। তারা গিয়ে মিনুর অবস্থার খোঁজ খবর নেন এবং এক নজর নেতাকে দেখেন। এ সময় মিনু সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের সাধুর মোড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় হন মিজানুর রহমান মিনু। সাথে সাথে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।

রাতে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম সমাপ্ত জানান, ‘রাজশাহীর সাবেক এমপি ও মেয়র মিজানুর রহমান মিনু সাহেববাজার এলাকা থেকে অটোরিকশা যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। সাধুর মোড় এলাকায় সড়কের গতিরোধক (স্প্রীটবেকার) পার হওয়ার সময় তার অটোরিকশা উল্টে যায়। এতে তিনি আহত হন। তিনি মাথায় আঘাত পান এবং সাথে সাথে অপর একটি অটোরিকশায় করে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে তার মাথায় তিনটি সেলাই দেয়া হয়। এর পর চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিলেও রাতেই তিনি বাড়ি চলে যান।’

শফিকুল আলম সমাপ্ত বলেন, খবর পেয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ দলের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে যান। মেয়র বুলবুল তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন এবং চিকিৎসা শেষে বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ সময় তার সঙ্গে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদ শফিকুল হক মিলনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসঃ পূর্বপশ্চিম ‍

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ