প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারীদের নিবিড় যত্নের প্রয়োজন: সিডসেল ব্লেকেন

হ্যাপী আক্তার : প্রাণ বাঁচাতের রোহিঙ্গা নারীদের ওপর ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। যার ফলে নিবিড় যত্নের প্রয়োজন ৩ লাখ ৫২ হাজার নারীর। তা না হলে নিজ দেশে ফিরে যেতে ভয় কাটবে না নির্যাতিত নারীদের। এমনটিই মনে করেন ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূত। তবে শরণার্থী বিষয়ের বিশ্লেষক আসিফ মুনিরের মতে দ্রুতই সংকট সমাধান মিলছে না। কারণ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে খোলামেলা আলোচনা করা হলেও ধোঁয়াশার ভেতরে রেখেছে মিয়ানমার।

২৫ আগস্ট ২০১৭ এর পর থেকে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আশা রোহিঙ্গাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী। যার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার। যাদের বেশির ভাগ বয়স ১৮ থেকে ৫৯ এর মধ্যে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো ১ লাখ ১১ হাজার নারী অবিবাহিত মা। এই নারীদের বেশির ভাগই ধর্ষিত কিংবা লাঞ্চিত হয়েছে মিয়ানমারের সেনা সদস্যদের হাতে। তাদের শারীরিক পাশাপাশি মানসিক চিকিৎসার গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ঢাকার নরওয়ের রাষ্ট্রদূত জানান স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে তার দেশ।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন বলেছেন, অসংখ্য নারী গর্ভবতী আর অনেকেই সহিংসতার কারণে মানসিকভাবে খুবই নাজুক অবস্থায় আছে। প্রত্যেকের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা করে চলেছে সাথে বিদেশি বন্ধুরাও রয়েছে। তবে আরো প্রয়োজন বিশেষভাবে ব্যবস্থার মাধ্যমে মিয়ানমারের নারীদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

শরণার্থী ও অভিবাসন বিশ্লেষক আসিফ মুনির বলেছেন, যথেষ্ট জোরালো গলায় এখন আর রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে না পরিস্থিতি উন্নয়ন করার ব্যাপারে। জাতিসংঘের যে বিশেষ প্রতিনিধি তাদেরকে মিয়ানমারে যেতে দেওয়া হয়নি, দেখতে দেওয়া হয়নি। এমন কি সাম্প্রতিক কালেও যাওয়া হয়নি, আগের কথা যদি নাও ধারা হয়। তবে সাম্প্রতিক কালের অবস্থা কি সে বিষয়টিও যদি বিশ্লেষণ করার সুযোগ না থাকে তাহলে একটি অনিশ্চয়তার মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটিকে জায়গা হচ্ছে। বলা হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া তবে একটি দিক খুব ধোঁয়াশার মধ্যে যুক্ত মনে হচ্ছে।

তবে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক মন্ত্রী ইউউইং জানায় আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাজ। সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ