প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড্রেনের ময়লা ও ধুলিকণা থেকে স্বর্ণ সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ

হ্যাপী আক্তার : ধুলাবালি তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হলেও এ থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকেই। অবাক করার মতো কথা হলেও ড্রেনের ময়লা বা স্বর্ণের দোকানের ধুলাবালি থেকে স্বর্ণ কণা সংগ্রহ করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছে। আর তাতে করে একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসে আয় করে থাকেন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এই ব্যবসা করে অনেকের পরিবারে ফিরেছে সচ্ছলতা এসেছে।

স্বর্ণের দোকানের ধুলাবালি বা ড্রেনের ময়লা থেকে স্বর্ণ সংগ্রহ করে মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করছে অনেকেই। কেউ স্বল্প পুঁজিতে আবার কেউ পুঁজি ছাড়াই ময়লা থেকে স্বর্ণ সংগ্রহ করছে। এই পেশায় জীবিকা নির্বাহ করছেন তারা।

সাজসজ্জায় সকল মানুষের কাছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। ভরি অর্ধলাখ টাকা ছাড়ালেও থেমে নেই স্বর্ণ বিক্রি। কারিগর থেকে শুরু করে বিক্রেতা-অনেকেই জড়িত স্বর্ণ ব্যবসায়। তবে স্বর্ণ ব্যবসায় এমন একদল লোক আছে, যারা ড্রেন বা স্বর্ণের দোকানের ধুলি-ময়লা থেকে স্বর্ণ কণা সংগ্রহ করেন। এদের বলা হয় নেহারওয়ালা।

যেসব জায়গায় স্বর্ণের কাজ করা হয়, শুধু সে সব জায়গার ড্রেন থেকেই তারা স্বর্ণ কণা সংগ্রহ করে। স্বর্ণ সংগ্রহের পর এটি ধুইয়ে রিফাইন করা হয়। রিফাইনের পর স্বর্ণ গলিয়ে হয় বিক্রি। এতে প্রতিদিন তাদের আয় ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা।

নেহারওয়ালাদের মধ্যে আবার অনেকেই আছে, যারা প্রতিমাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে স্বর্ণেও দোকানের ময়লা কেনে। এই স্বল্প পুঁজিতে প্রতিমাসে মুনাফা হয় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা।

রাজধানীর তাঁতীবাজারের জুয়েলারি মালিকদের তথ্য অনুযায়ি, সারাদেশে প্রায় ২০ হাজারের মতো নেহারওয়ালা আছে। শুধু তাঁতীবাজারেই আছে প্রায় ১২০ জন। তাঁতীবাজারের অনেক ব্যবসায়িই নেহারওয়ালাদের কাছ থেকে স্বর্ণ কিনে থাকে।

নেহারওয়ালাদের স্বর্ণ নিয়ে কখনোও কোনো অভিযোগ শোনা যায়নি বলে জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়িরা।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেট টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত