প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশের নমনীয়তা মিয়ানমারের স্পর্ধা আরও বাড়িয়ে দেবে: গোলাম মুর্তজা

রবিন আকরাম: রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মুর্তজা। আমাদেরসময় পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো।

তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন- এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাখাইনে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির প্রশ্নে বাংলাদেশ সরকারের জোর দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু সরকার উল্টো মিয়ানমারের ওপর নির্ভর করতে চায়, তাদের বিশ্বাস করতে চায়। মিয়ানমার এখনও তাদের কোনো অপকর্মই স্বীকার করেনি। রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকারকেও বাতিল করেছে তারা।

লোক দেখানো কিছু তৎপরতা তারা চালাচ্ছে বটে, তবে রোহিঙ্গাদের উপকারের কোনো সদিচ্ছা যে তাদের নেই, এটা পরিষ্কার। এক্ষেত্রে মিয়ানমারকে চাপে রাখার নীতিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হলেও বাংলাদেশ সরকার নমনীয় নীতিতে এগুচ্ছে। এটা মিয়ানমারের স্পর্ধা আরও বাড়িয়ে দেবে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকেও তারা শ্রদ্ধা করবে না। ইতোপূর্বে দুই দফা বাংলাদেশের আকাশসীমায় বিমান পাঠিয়ে সেটা করিয়েও দেখিয়েছে তারা। কিন্তু বাংলাদেশ শিক্ষা নেয়নি। বিবিসি জানিয়েছে, মিয়ানমার আলোচনা অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ কতটুকু নিচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার ব্যাপারে তাদের ইচ্ছাই বা কতটা আছে, এসব প্রশ্ন থাকলেও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বক্তব্য হচ্ছে, এখন মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার ওপর তারা বিশ্বাস রাখতে চান। মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের বৈঠকেও তারা যেভাবে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। যেভাবে তারা আমাদের সঙ্গে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। যদি এগুলো পর্যালোচনা করেন, তাহলে আস্থা তৈরি হচ্ছে যে হয়তো তারা নিয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ সরকার যদিও আস্থার কথা বলছে, কিন্তু তার লক্ষণ দেখা যায়নি। দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে বৈঠকের পর সেখানে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের পাশ দিয়েই মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চ শোয়ে চলে যান। সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্নও করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো কথা বলেননি। মিয়ানমার এখনও অস্বীকার, অসহযোগিতার পুরনো পথেই রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত