প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেষ হয়েছে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী

মতিনুজ্জামান মিটু : ‘আন্তর্জাতিক মানের চা বাংলাদেশে তৈরী হয়’ এই ধারণাকে সমৃদ্ধ করে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী। তিন দিনের এ মেলায় তিনটি কোম্পানী চারটি চা পণ্য বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো ক্রেতাসাধারণের হাতে তুলে দেয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বোর্ডের দ্বিতীয় বারের এ মেলায় ভারতের টি এ্যান্ড আই গ্লোবাল লিমিটেড নামের একটি কোম্পানীসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৩০টি প্যাভিলিয়ন ও ৮টি ষ্টল অংশ নেয়।

গত রবিবার(১৮ফেব্রুয়ারি) প্রধান অতিথি হয়ে মেলা উদ্বোধন করেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২০১৭ সালে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছিল বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী। বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে আজ মঙ্গলবার মেলার সমাপনী দিনে ইস্পাহানী ‘ব্লান্ডার চয়েজ ট্রিমিয়িাম ব্লাক টি’ নামের একটি চা প্রথমবারের মতো বিক্রি শুরু করে। কেনিয়া ও বাংলাদেশের চায়ের মিশ্রনে তৈরী হয়েছে এই চা। যা মেলায় বিশেষ ছাড় দিয়ে বিক্রি করা হয় ৪০০ গ্রামের প্রতি প্যাকেট ২৪৬ টাকায়। প্যাকেটের গায়ের দাম ২৯০ টাকা।

গতপরশু হালদা ভ্যালি ড্রাগন ওয়েল গ্রিন টি এবং সিলভার নিডলি হোয়াইট টি নামের ২টি চা বাজোরে আনে। ৫৫ গ্রামের গ্রিন টি ৪৬৫ টাকা ও হোয়াইট টি ৫৯৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। একই দিন ফিনলে বাজারজাত শুরু করে জাপানী প্রযুক্তিতে তৈরী মিডরো গ্রিন টি। সিরামিকের বোয়েমে ৪০ গ্রাম চায়ের দাম ৪০০টাকা। মেলায় বিভিন্ন দলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সমাপনী দিনে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী মেলার প্যাভিলিয়ন ও ষ্টল গুলোতে ভিড় জমিয়ে কেনাকাটার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের চা সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন। বাংলাদেশ চা বোর্ডের সহকারি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, গত ২০১৭ সালের চেয়ে বেশি আগ্রহ নিয়ে মানুষ এবারের মেলায় এসেছে। বিশ্বমানের চা বাংলাদেশেও তৈরী হয় মেলায় এসে মানুষ তা জানতে পারছে। হালদা ভ্যালির নির্বাহী (বিপনন) কামরুল হাসান বলেন, মেলায় অনেক সাড়া মিলেছে। যা ছিল আমাদের প্রত্যাশার বাইরে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত