প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হঠাৎ করেই অর্থ সংকটে পড়েছে দেশের ব্যাংকগুলো

রবিন আকরাম: হঠাৎ করেই দেশের ব্যাংকগুলোতে ঋণ দেয়ার মতো অর্থের টান পড়েছে। ফলে ঋণের সুদ হার এক অংক থেকে আবার তা দুই অংকের ঘরে পৌঁছে গেছে। গেল কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ কমা সহ খেলাপি ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংগুলোতে এই অর্থ সংকট বলে মনে করেন ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

মাস ছয়েক আগেও দেশের ব্যাংগুলোতে দেখা গেছে অতিরিক্ত তারল্য। কিন্তু কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ উল্টে গেছে। এখন তারল্য সংকটে দেশের ব্যাংকিং খাত। কি এমন ঘটেছে দেশের অর্থ ব্যবস্থার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতে।

বিশ্লেষণে দেখা যায় গেল কয়েক মাস ধরে ঋণের বিপরীতে আমানতের পরিমাণ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঋণ প্রদান, মন্দ ঋণ সহ খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যর্থতা এবং গেল কয়েক মাস ধরে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়াই এর মূল কারণ।

উত্তরা ব্যাংক পরিচালক শেখ আবদুল আজিজ বলেন, ‘এখানে হঠাৎ করেই শেষ ছয় মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি বেড়ে গেছে। ডিফল্ট লোনগুলো যথাসময়ে রিকভার হচ্ছে না। সব মিলিয়ে একটা খারাপ সময়ের সৃষ্টি হয়েছে।’

আর্থিক খাতে তারল্য সংকটের সব থেকে নেতিবাচক প্রভাব পরেছে ঋণ প্রদানে। ব্যাংকগুলোতে যথেষ্ট অর্থ না থাকায় ঋণের বিপরীতে সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে প্রায় সব গুলোই বাণিজ্যিক ব্যাংক। এক অংকের ঘরে আসা ঋণের সুদ এক লাফে এখন দুই অংকের ঘরে চলে গেছে। যার নেতিবাচক প্রভাবে পরেছেন দেশের ব্যবসায়ীর।

এই অবস্থার জন্য ব্যাংগুলোর অদূরদর্শীতাকে দায়ী করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর বলেন খেলাপি ঋণ আদায় সহ পরিচালন ব্যয় কমিয়ে এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

বাংলাদেশ ব্যাংক সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘ব্যাংকের দিক থেকে লাভের টার্গেটের দিক থেকে বেশি বাড়াতে হবে। অপারেশন খরচ কমাতে হবে। ডিফল্ট লোন, বন্ধ ঋণগুলো আদায় করতে হবে।’

ব্যাংকিং খাতে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি চলমান এই সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই সব থেকে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন দেশের ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত