প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাকিস্তান চলচ্চিত্রের এক নম্বর নায়িকা হয়েও নিজেকে গুটিয়ে নেয় শবণম

বিনোদন ডেস্ক : শক্তিশালী ভারতীয় পত্রিকার টাইমস অব ইন্ডিয়ার ব্লগে বাংলাদেশি অভিনেত্রী শবনমের সুদীর্ঘ একটি সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে। যা লিখেছেন এর নিয়মিত ব্লগার ও পত্রিকাটির কলকাতা সংস্করণের ফিচার সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা দাশগুপ্তা।

তিনি ঢাকায় এসে এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সম্প্রতি কোনও এক দুপুরে কিছু সময়ের জন্য সাক্ষাৎ মেলে শবনমের। যা প্রিয়াঙ্কা তার লেখায় তুলে ধরেছেন।

তিনি কথা বলেছেন, বর্ষীয়ান এ শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন, চলচ্চিত্র, বিশেষ করে পাকিস্তান চলচ্চিত্রের এক নম্বর নায়িকা হয়েও নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টি।

খোলাসা করেছেন, এ নায়িকাকে ঘিরে আরও অনেক মিথের।

উপমহাদেশের চলচ্চিত্র সম্পর্কে যারা একটু-আধটু খোঁজ রাখেন, তারা অনেকেই মনে করেন, শবনম যখন পাকিস্তানের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তখন সেখানে ধস নামে।

প্রতিবেদক যখন শবনমের সামনে বিষয়টি উত্থাপন করেন, তিনি এটাকে শুধু প্রশংসা হিসেবেই নেন। এ অভিনেত্রীর ভাষ্যটা ছিল এমন, ‌‘‘আসলে আমি যখন ‘আইনা’ ছবি করি তখনই সিদ্ধান্ত নিই আমার অবসর নেওয়াই উচিত। ততদিনে আমি পঞ্চাশটির বেশি ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছি। আমি যে অবসর নেব, তা কোথাও ঘোষণা দিইনি। কিন্তু অবসরের জন্য নিজেকে গুটিয়ে নিতে আরও ১০ বছর লেগেছিল। কারণ আমি আমার পুরনো ও চুক্তিবদ্ধ ছবিগুলো শেষ করতে চেয়েছিলাম। এরপর আমি পাকিস্তান ত্যাগ করি। সে সময় অনেক ভালো ভালো পরিচালকও অবসর নেন। ফলে একটা ধাক্কা হয়তো লাগতে পারে।’’

১৯৭৭ সালে মুক্তি পায় ‘আইনা’ ছবিটি। সে বছরই এ অভিনেত্রীর ৬টি ছবি রূপালি পর্দায় আসে। পরের বছর এ সংখ্যা হয় ৯টি। এমনকি সাত বছর পর ১৯৮৪ সালে এ অভিনেত্রীর রেকর্ড পরিমাণ ১০টি ছবি মুক্তি পায়। (তথ্য: উইকিপিডিয়া)

এভাবে ৭৭ সাল থেকে পরবর্তী দশ বছর অর্থাৎ ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ছবি মুক্তি পেতেই থাকে। এমনকি তারও পরবর্তী ১০ বছর এ অভিনেত্রীর নতুন নতুন ছবি পাকিস্তানে মুক্তি পেয়েছে, যার শুটিং তিনি অনেক আগেই করেছিলেন!

বাংলাদেশে ফিরে তিনি অনেকের অনুরোধে ছবিতে অভিনয় করেন। যার ফলে ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া তার অভিনয়ে মেগাহিট ছবি ‘আম্মাজান’।

এমনকি মাঝে অমিতাভ বচ্চন, ঋষি কাপুরের সঙ্গেও অভিনয়ের প্রস্তাব আসে তার কাছে। সেখানে প্রযোজক জানান, ছবিতে মূল চরিত্র চার- শবনম, অমিতাভ, রেখা ও ঋষি। তবে নির্মাতারা তাকে ছবির গল্প বলতে না পারায় প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন এ অভিনেত্রী! শবনম এখন ঢাকাতেই অবস্থান করছেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে নিভৃত জীবন যাপন করছেন। তার স্বামী প্রয়াত সংগীত পরিচালক রবিন ঘোষও বাংলা চলচ্চিত্রের আগে পাকিস্তানের ছবিতে কাজ করেছেন। শবনম ১৯৬০ থেকে ১৯৮০’র দশকে দেশটির চলচ্চিত্র শিল্প ললিউডের (লাহোর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি) অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী।বাংলাট্রিবিউন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত