প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যে উৎসবে দর্শক সাড়িতে ঠাঁই পাওয়ার যোগ্যতাও আমার নেই

প্রভাষ আমিন : নেত্রকোনা সাহিত্য সংসদের বসন্তকালীন সাহিত্য উৎসব আমার কাছে সুনীলের কবিতার রাস উৎসবের মত, ‘ভিখারীর মতন চৌধুরীদের গেটে দাঁড়িয়ে দেখেছি ভিতরে রাস-উৎসব’। যে উৎসবে দর্শক সাড়িতে ঠাঁই পাওয়ার যোগ্যতাও আমার নেই, সেই অনুষ্ঠানেই কিনা আমি মূল প্রবন্ধকার! কিন্তু তারা বুঝতে পারেননি প্রবন্ধকার হিসেবে তো নয়ই, মানুষ হিসেবেও তাদের দেয়া সম্মান ধারণ করার যোগ্যতা আমার নেই। অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকা দেখে আমার আফসোস এবং স্বস্তির মিশ্র অনুভূতি হলো।

বসন্তকালীন সাহিত্য উৎসবের ২২তম আয়োজনে এবার খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও কবি খালেদ মতিন (মরণোত্তর)। সে পর্বে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন সরোজ মোস্তফা। আলোচনা করবেন প্রাবন্ধিক যতীন সরকার, কথাসাহিত্যিক মশিউল আলম, কবি আতাউল করিম, কথাসাহিত্যিক হরিশঙ্কর জলদাস এবং নেকত্রকোনার ডিসি ও এসপি। এর আগে প্রথম পর্ব, যেখানে ‘সাংবাদিকতা ও সাহিত্য’ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করার কথা ছিল আমার।

এ পর্বের আলোচনা করবেনন কবি ও সাংবাদিক গনি আদম, সাংবাদিক নজরুল কবীর, কবি ও সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফ, লেখক স্বকৃত নোমান, সাংবাদিক ও ছড়াকার আরাফাত সিদ্দিকী সোহাগ, সাংবাদিক ও গবেষক অপূর্ব শর্মা এবং কবি ও সাহিত্য সংগঠক কাজল কোরায়াশী। আফসোসটা হলো, এমন সব গুণী মানুষের সাথে মঞ্চ ভাগাভাগি করার বিরল সুযোগ পেয়েও হেলায় হারালাম। আর স্বস্তি, এঁরা কেউ আমার মূর্খতাটা জানলেন না। আফসোসের চেয়ে স্বস্তিটাই বেশি। সবার সামনে যে আমার মূর্খতা উন্মুক্ত হলো না, এও কম পাওয়া নয়।

আমি না যাওয়ায় আশা করি অনুষ্ঠানের কোনো অঙ্গহানী হবে না। তবুও আয়োজকদের কোনো অসুবিধা করে থাকলে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। আপনারা যারা নেত্রকোনায় আছেন, বিকালে মোক্তারপাড়ায় যেতে ভুলবেন না যেন।

পরিচিতি : হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত