প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫টি মার্কিন কোম্পানির অস্ত্র বিক্রি ১৮৭ বিলিয়ন ডলার

রাশিদ রিয়াজ : যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ফেডারেল এজেন্সির চেয়ে অস্ত্র তৈরি প্রতিষ্ঠান লকহিডের আয় বেশি। গত বছর লকহিড ৫১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে যার মধ্যে ৩৫.২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। লকহিডের উৎপাদিত অস্ত্রের ৭০ ভাগই কিনছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ওয়াশিংটন পোস্ট

লকহিড এ বছরে যে ১৫ বিলিয়ন ডলারের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করছে তা মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র বরাদ্দের বেশি কিংবা বলিভিয়ার জিডিপি’র অতিরিক্ত। গত এক দশকে সারাবিশ্বে লকহিডে কাজ করছে ১ লাখ মানুষ। যে কোনো মার্কিন ফেডারেল এজেন্সির চেয়ে লকহিডের আয় বেশি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন কোম্পানি বোয়িং, এ প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালে অস্ত্র বিক্রি করেছে ২৬.২ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে জেনারেল ডিনামিক্স, রেয়থিয়ন ও নর্থথ্রপ গ্রুমম্যান বছরে ১১০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করে থাকে। আর এ ৫টি মার্কিন কোম্পানির অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ অন্য ৩০টি কোম্পানির আয়ের চেয়ে বেশি।

গত বছর লকহিডের শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ। গত ৫ বছরে এ বৃদ্ধির হার ৩’শ শতাংশ। তবে বোয়িং’এর শেয়ার মূল্য গত বছর দ্বিগুন হওয়ার মূল কারণ উড়োজাহাজ বিক্রির চাহিদা বৃদ্ধি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পেন্টাগনের বাজেট বরাদ্ধে যে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন তাতে লকহিড সবচেয়ে বড় ভাড় বসাবে। শুধু এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান উৎপাদনে লকহিড ১ ট্রিলিয়ন ডলার খরচের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ জঙ্গি বিমানটি অস্ত্র তৈরি ব্যয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে। ৬৬টি এফ-৩৫ বিমান যুক্তরাষ্ট্র কিনেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এ বছরে আরো ৯০টি সরবরাহ করবে লকহিড। লকহিড নাসার জন্যে ওরিয়ন স্পেসক্রাফট তৈরি করছে ৫.৬ বিলিয়ন ডলার খরচে।

মার্কিন মহাকাশ কোম্পানি টিয়াল গ্রুপের পরামর্শক রিচার্ড আবোউলাফিয়া যথার্থই বলেছেন, ‘কূটনীতির দিন শেষ, বিমান হামলা স্বাগত’। কিংবা ওয়ারেন বাফেট সবসময় বলেন, যখন জোয়ার সরে যায় তখন দেখা যায় কে নগ্ন হয়ে সাঁতার কাটছে। অস্ত্র বিক্রির এত বিপুল বাজেট ওয়ারেন বাফেটের কথারই উল্টো প্রতিধ্বনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত