প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এক এগারোর মামলায় আ.লীগের চেয়ে বিএনপির ওপর চড়াও দুদক

হ্যাপী আক্তার: ওয়ান ইলেভেনের সময় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দুর্নীতি মামলাগুলো সচল রেখেছে দুদক। দুদক বলছে হঠাৎ করে আপিল করলে তা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো নয়। তবে পুরোনো এসব মামলার বিচার কাজ চলতি বছরেই শেষ করতে চায় সংস্থাটি।

অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দলের অধিকাংশ মামলায় দুদক এখন আর আইনি লড়াইয়ে নেই। তবে কমিশনের চেয়ারম্যানের দাবি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে না দুদক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে ২ কোটি দশ লাখ টাকা আত্মসাতের অপরাধে পাঁচ বছরের সাজা প্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই দুদক দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে। ওই সময়ে দায়ের হওয়া খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এমন আরও তিনটি মামলার বিচারকাজ এখনো চলছে।

২০০৭-২০০৮ সালে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে দেশের প্রধান দু’দলের শীর্ষ শতাধিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রায় অর্ধশত নেতাকে সাজাও দেয় নিম্ন আদালত। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে অধিকাংশ মামলা বাতিলও হয়েছিল। এসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে গিয়ে বেশ কিছু মামলা পুনরায় সচল করে দুদক।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান খান, দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, এম মোরশেদ খান, হারিছ চৌধুরী এবং এহছানুল হক মিলনসহ ৪০ জন নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা সচল রয়েছে। এসব মামলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে দুদকের আইনজীবীদের প্রতি কমিশনের নির্দেশনা রয়েছে।

গত ২৫ জানুয়ারি, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে ওয়ান ইলেভেনের একটি দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস দেয় নিম্ন আদালত। এখনও এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেনি দুদক। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারীর মামলার বিচারিক কাজ আদালতে চলমান আছে।

কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, হঠাৎ মামলার আপিল করলে তা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো নয়। মামলা হলে মামলা চলমান থাকবে এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ওয়ান ইলেভেন আর যাই বলেন আমরা কোনো মামলা তুলে নেয়নি।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দুদক যে মামলা চলমান রেখেছে সেটা যদি কোন একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততার কারণ হয়ে যায়, তা হলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে দুদক।

বিশেষ কোনো মহলকে টার্গেট না করে সব মামলার বিচার কাজ শেষ করার পরামর্শ টিআইবি’র।

সূত্র : ডিবিসি নিউজ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত