প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমার দেশের একজন রিকশাওয়ালা ফোরজি সেবা দ্বারা কি করবে?

মো. তাসলিম আরিফীন : ফোরজি বা চতুর্থ জ্যানেরেশনের ইন্টারনেট ব্যবস্থা। এটি সর্বপ্রথম এসেছে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম এবং নরওয়ের রাজধানী অসলোকে। তার আগে কিন্তু তারা ২.৫ জিতেও যায়নি আবার ৩ জিতেও যায়নি। তারা টুজি থেকে সরাসরি ফোরজিতে চলে গেছে। কারণ ফোরজিটা হলো পুরো একটি আলাদা টেকনোলজি। এটা একপ্রকার আইপি নির্ভর একটি প্রযুক্তি। আমরা মোবাইলের আইপি বলি, সেই ভিওআইপি দ্বারা ফোনে কথা বলা, টিভি দেখা ইত্যাদি সব কিছুই আমাদের আইপি নির্ভর। এসকল কাজ আমার একটি নিজস্ব আইপির মাধ্যমেই করে থাকবো ফোরজির সুবিধার মাধ্যমে।

এখন আমাদের তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো বা যেসকল দেশের ইন্টারনেট সেবার চার্জ বেশি বা সুযোগ-সুবিধা কম, সেই দেশগুলো কিন্তু মাঝখানে একটি আমব্রিলা প্রজেক্ট বা আইটি প্রজেক্ট বা আইএমটি প্রজেক্ট ২০০০ বা ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল টেলিকমিউনিক্যাশন ২০০০ প্রজেক্টে তারা থ্রিজি সেবা ঘোষণা করে। ২০০৯ সালের দিকে আমাদের দেশে ওয়াই ম্যাক্স, কিউবি এবং বাংলা লায়োন নামে তিনটি কোম্পানি এসেছিল। মূলত এদেরই ফোরজি সেবা দেয়া কথা ছিল। ওয়াই ম্যাক্স টেকনোলজিটি হলো, ফোরজি ডাটা নেটওয়ার্ক।

আমাদের দেশে থ্রিজি সেবা আসার আগেই ফোরজি সেবা ডাটা নেটওয়ার্ক আছে, তারপরও কেন থ্রিজির প্রয়োজন হলো সেটা বুঝে আসে না। থ্রিজি সেবা আসার পর আমাদের গ্রাহক না পেলে ফোরজির সকল সুযোগ সুবিধা না পেল থ্রিজির সকল সুযোগ সুবিধা। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের দেশের থ্রিজির যে মান ও দাম সেটা আসলেই অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি। এই সকল দিক বিবেচনায় আমাদের দেশে যুব সমাজ ছাড়া তেমন কেউই উপকৃত হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।

পরিচিতি : সহযোগী অধ্যাপক, ড্যাফডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়/মতামত গ্রহণ : শাখাওয়াত উল্লাহ/সম্পাদনা : গাজী খায়রুল আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত