প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লেখক ও প্রকাশকের সংখ্যা বেড়েছে

জসীম মজুমদার : গত দশ বছরে মেলার পরিধি বেড়েছে, বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে এবং প্রকাশকের সংখ্যাও বেড়েছে। স্কুল কলেজে পড়–য়া ছেলে-মেয়েরা বেশি গল্পের বইয়ের প্রতি আগ্রহী হয়। চাকরিতে ঢুকে গেলে সেই আগ্রহটা আর থাকে না। নতুন পাঠকের আর্বিভাব ঘটেছে। যারা চলে গেছেন তাদের শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু নতুন লেখকেরা একটা জায়গা তৈরি করে নিচ্ছেন। তারা হয়তো হুমায়ুন আহমেদ স্যারের কাছাকাছি যেতে পারবে না। তবু তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে।

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, আমার যুবক বয়সের লেখা দেখে মনে হয় না যে আমি লিখেছি। মানে দিনে দিনে লেখায় পরিপক্কতা বেড়েছে। আমাদের যারা প্রবীন লেখক আছে যাদের শব্দ ভা-ার অনেক দুর্বল । প্রকাশকের দায়িত্ব এখানেই। মেলা ব্যবস্থাপনা ভালো। আরেকটু ভালো হতে পারতো। নামাজের জায়গা বড় হলে ভালো হতো। আর গেট বেশি হওয়ায় ভিড় কম হয়েছে। এখন ইন্টারনেটেও বই পড়া যায়।

পাঠকের কাছে সহজে বই পৌঁছে যাচ্ছে। মোটামুটি পাঠকেরা পড়ে আনন্দ পাবে। পড়ে কিছু শিখবে। এই রকম বইয়ের চাহিদাই বেশি। এবারের মেলায় বইয়ের দাম বেশি। কাগজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঠকদেরকে বলবো প্রথমবারের মতো গ্রন্থাগার দিবস পালিত হয়েছে। বেশি করে বই পড়–ন। প্রিয়জনকে বই উপহার দিন।

পরিচিতি : লেখক/মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ/সম্পাদনা : গাজী খায়রুল আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত