প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কেবল রাজস্ব আদায়কে গুরুত্ব দিলে অধরাই থাকবে ফোর জি’র স্বপ্ন

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : যাচাই বাছাই ছাড়া শুধু রাজস্ব আদায়কে গুরুত্ব দিয়েই ফোর জি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। তবে ব্যবহারকারী বৃদ্ধির পাশাপাশি সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ প্রদান নিশ্চিত করা না গেলে অধরাই থাকবে ফোর জি’র স্বপ্ন, এমন আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলেন, তরঙ্গের উচ্চমূল্যের কারণে থ্রিজি পূর্ণ সুবিধা পায়নি দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। এমন দৃশ্যপট বদলাবে না ফোরজির ক্ষেত্রেও। উচ্চমূল্যের কারণে প্রয়োজনীয় তরঙ্গ কিনতে পারছেন না তারা। ফলে সরকারের কাছে অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে তরঙ্গের বেশিরভাগ। প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

২০১২ সালে চালুর পর এখন পর্যন্ত দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষকে থ্রিজি সুবিধায় আনতে পেরেছেন অপারেটররা। প্রায় ৭০ ভাগ মানুষই ব্যবহার করছে স্বল্পগতির টুজি নেটওয়ার্ক।

অ্যামটবের সাধারণ সম্পাদক টি আই এম নুরুল কবীর বলেন, থ্রিজি এর সময় যেমন পর্যাপ্ত তরঙ্গ কিনতে পারেনি, এবারও তেমন পারেনি অপারেটররা। গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না।

পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, ভারতে ফোর জি ব্যবহার করছে দেশটির প্রায় ৩০শতাংশ মানুষ, শ্রীলঙ্কায় এ সংখ্যা ৩৮ ভাগ, মালয়েশিয়া আর সিঙ্গাপুরে তা অতিক্রম করেছে প্রায় ৫০ ভাগ। অথচ নানামুখী উদ্যোগের পরও দক্ষিণ এশিয়ায় ফোর জি চালুর ক্ষেত্রে সবার পেছনে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফোর জি’র পূর্ণ সুবিধা পেতে অপারেটরদের বের হতে হবে কিলোবাইট আর মেগাবাইটের সীমাবদ্ধতা থেকে, নিশ্চিত করতে হবে সাশ্রয়ী মূল্যে আনলিমিটেড ডেটা প্রদান। থ্রিজি কিন্তু এখন সারাদেশে পাওয়া যায় না। এমনকি ঢাকা শহরে থ্রিজি পর্যাপ্ত না। ব্রডব্যান্ড যেমন প্যাকেজ আছে অপারেটর কোম্পানীগুলো যদি এমন করে তাহলে ইন্টারনেটে একটা বড় পরিবর্তন আসবে।

সরকারি হিসেবে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। যদিও বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে অফলাইনে থাকা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশেরও বেশি।

সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ