প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আশ্বাসের পরও বাস্তবায়নের ফলাফল খুবই হতাশাজনক : অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ

কায়েস চৌধুরী : প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে শুধু কী শিক্ষক আর জালিয়াতি চক্রই জড়িত? না এই দুর্নীতির সাথে অভিবাবকরাও জড়িত। এটাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক। অভিবাবকরা জড়িত না হলে শিক্ষার্থীরা টাকা পায় কোথায়? সন্তানরা কী উপার্জন করে? কাজেই এটার জন্য অভিবাবকরাও দ্বায়ী। এই প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে সকলের সম্মেলিত প্রয়াস দরকার এবং এসব অনৈতিক কাজ ও সীমাহীন লোভ থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে। ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলাপকালে বিশিষ্ট কবি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ আমাদের অর্থনীতিকে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত যেভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, এটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এজন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। সরকারের পক্ষ থেকে বার বার বলা হলেও এর কার্যত বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। যত আশ্বাস, কমেটি যা কিছুই করুক কিন্তু তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ফলাফল খুবই হতাশাজনক।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বেতন বেড়ে গেছে ১২৩ গুন। এই বেতন বাড়ার পরেও তাদের লোভ এবং নৈতিকতার সমস্যা রয়ে গেছে। বেতন বাড়ার পরেও তারা বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের থেকে বেশি টাকা নিচ্ছে। এইযে বেশি টাকা নেওয়ার প্রবনতা, ভোগের প্রবনতা এই সীমাহীন লোভ আমাদেরকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলা মিডিয়ামের স্কুল-কলেজগুলো টাকা বেশি নেওয়া হোক আর কমই নেওয়া হোক সেটা অন্য প্রশ্ন। শিক্ষকদের বেতন বাড়ার পরেও যদি ঠিকমতো সার্ভিস দেয় এবং স্কুল-কলেজগুলোর যদি শিক্ষার মান বাড়ায় তাহলে তো আর কোন সমস্যাই নাই। ইংলিশ মিডিয়ামেতো টাকা বেশি লাগে। ইংলিশ মিডিয়ামের উপর নির্ভর হওয়ার জন্যই তো এত ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম করে, টাকা লুটপাট করে। একজন অভিভাবকের পক্ষে লক্ষ বা হাজার হাজার টাকা দিয়ে প্রশ্ন কেনার ক্ষমতা সাধারণত থাকে না।

সম্পাদনা : মারুফ হাসান নাসিম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ