যেন বাগানজুড়ে একঝাঁক তারা

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 14/02/2018 -1:44
আপডেট সময় : 14/02/ 2018-1:50

ডেস্ক রিপোর্ট : সাভারে গোলাপের পাশাপাশি বাড়ছে জারবেরা ফুলের চাষ। লাভজনক হওয়ায় চাষিরা জারবেরা চাষেই আগ্রহী হচ্ছেন বেশি। এক সময় কেবল যশোরে এ ফুলের চাষ হতো। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাষ হচ্ছে। রানী প্রিন্ট, হলুদ, সাদা, লাইট প্রিন্ট, কমলা, ফিরোজা, মিষ্টি গোলাপি, খয়েরি, গোলাপিসহ বিভিন্ন রঙের ১১ প্রজাতির জারবেরার চাষ হয়ে থাকে। এ ফুল দেখতে অনেকটা সূর্যমুখী ফুলের মতো। কিন্তু আকারে অনেক ছোট। দেখলে মনে হবে বাগানে সূর্য নয়, একঝাঁক তারা ফুটে রয়েছে। সাধারণত ফুলের তোড়া তৈরি ও বিয়েবাড়ি সাজানোর কাজে জারবেরার ব্যবহার বেশি হয়।

রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ ধরে কিছুদূর এগোলেই সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম আইঠর। লাল মাটির উর্বর এ

গ্রামটিতে এক সময় সবজি বাগানে ভরপুর ছিল। সময়ের পালাবদলে জমি কমে যাওয়ায় এখন অল্প জমিতেই কম পরিশ্রমে বেশি লাভের আশায় সবজিচাষিরা ফুলবাগান করছেন।

আইঠর গ্রামের ফুলচাষি বিল্লাল হোসেন বলেন, দুই বছর আগে থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে জারবেরার চারা এনে বাগানে রোপণ করেন। প্রথমে ৪ বিঘা জমিতে চাষ করেন। লাভজনক হওয়ায় এখন ১০ বিঘা জমিতে জারবেরা চাষ করছেন। প্রতিদিন ফুল কেটে বিক্রি করা হয় রাজধানীর আগারগাঁও ও শাহবাগে। তিনি জানান, প্রতিটি জারবেরা পাইকারি বিক্রি হয় ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং খুচরা ফুলের দোকানে বিক্রি হয় ২০ থেকে ৫০ টাকায়। নিজের বাগান থেকে বছরে প্রায় ১০ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেন বলে জানান তিনি।

শুধু বিল্লাল হোসেন নন, ওই গ্রামে তার দেখাদেখি নাসির হোসেন, আশরাফ, কামাল, ফারুকসহ অনেকেই জারবেরার চাষ করছেন।

নাসির হোসেনের বাগানের ব্যবস্থাপক রিপন বলেন, প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ বিঘা জমিতে জারবেরা চাষের জন্য সিমেন্টের খুঁটি, বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে শেড তৈরি করেন তারা। এরপর ৯০ টাকা দরে ভারত থেকে জারবেরা চারা এনে বাগানে রোপণ করা হয়। তিন মাস পর থেকে ফলন শুরু হয়। ভালো ফলন হওয়ায় নিয়মিত জারবেরা বিক্রি করে গত এক বছরে খরচের টাকা প্রায় উঠে এসেছে। তিনি বলেন, প্রথমে এককালীন বেশি টাকা বিনিয়োগ করতে হলেও প্রতিটি জারবেরা গাছ পাঁচ বছর পর্যন্ত ধারাবাহিক ফলন দেওয়ায় এটি খুবই লাভজনক।

ওই এলাকায় নিজের জমি থাকায় অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী মনিরুজ্জামানও জারবেরা চাষ করছেন। তিনি বলেন, নিয়মিত এ এলাকায় এসে অনেককেই জারবেরা ফুলের চাষ করতে দেখে উদ্বুদ্ধ হন।

আরেক বাগানের মালিক আওলাদ হোসেন জানান, সাধারণত সারা বছর ধরে ফুল ফুটলেও এপ্রিল-মে মাসে বেশি ফোটে। তাই বাংলাদেশে শীতকালে এবং শীতের শেষের দিকে এর চাষ বেশি হয়। পোকামাকড় ছাড়া জারবেরার তেমন কোনো রোগ-বালাই নেই।

সাভার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মফিদুল ইসলাম জানান, সাভার উপজেলার প্রায় ১০ একর জমিতে জারবেরা চাষ হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় অনেক চাষি জারবেরা চাষের জন্য পরামর্শ নিতে আসছেন। চাহিদা অনুযায়ী কার্যালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা চাষিদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছেন। সমকাল

এক্সক্লুসিভ নিউজ

জমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বেজা

প্রতিবেদক: জমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বিশেষ... বিস্তারিত

জেলই তাদের ঠিকানা হওয়া উচিত : জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি নেতাকর্মীদের ঠিকানা জেলই হওয়া উচিত বলে মন্তব্য... বিস্তারিত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আটকে আছে কোন জটিলতায়?

আনিস রহমান : গত বছরের ২৫ অাগস্ট রাখাইনে সহিংসতা শুরুর... বিস্তারিত

নাতি-নাতনিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর খুনসুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কখনো নাতনির চুলের বেণী বেঁধেছেন। আবার কখনো... বিস্তারিত

বিএনপি কোনো ফাঁদে পা দেবে না : ফখরুল

শিমুল মাহমুদ: বিএনপি কোনো ফাঁদে পা দেবে না মন্তব্য করে... বিস্তারিত

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে বড় ধরণের পরির্বতন আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এ জেড ভূঁইয়া আনাস : প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে প্রতিদিনই নতুন... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : editor@amadershomoy.com, news@amadershomoy.com
Send any Assignment at this address : assignment@amadershomoy.com