Skip to main content

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারত ও চীনের সহযোগিতা প্রয়োজন

ড. আব্দুল্লাহেল কাফি : সীমান্তে নতুন সমস্যার সম্মুখীন রোহিঙ্গারা। কয়েকটি সীমান্তে শুণ্য রেখার নিকটে এসেই মাইকিং করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের দিকে। এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি মিয়ানমার সফর করেছেন। অং সান সুচির আমন্ত্রণে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার সফর করেন। যদি ঠিক এইমুহূর্তে মিয়ানমার সেনারা কোন প্রকার উস্কানি বা রোহিঙ্গাদের উপর সীমান্তে হামলা করে থাকে, তবে সেটা মহা অন্যায়। যেহেতু সারা বিশ্ব মিয়ানমারের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। তারা এমনিতেই আমাদের দেশে অনেক রোহিঙ্গা তাড়িয়ে দিয়েছে। তারপরেও যদি তারা এমন করে থাকে, তবে তাদের এই আচরণ দুঃখজনক। ভবিষ্যতে এর সূদুর প্রভাব পড়বে এবং সেটা মিয়ানমারকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। সীমান্তে তাদের নতুন ঝামেলা খুবই ন্যাক্কারজনক এবং নিন্দনীয়। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ ঘটনা খুবই ঝঁকিপুর্ণ এবং ভবিষ্যতে অন্যদিকে মোড় নেওয়ারও যথেষ্ঠ সম্ভাবনা থাকবে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ করে ভারত এর সাথে গভীর ভাবে আলোচনা করতে হবে। যদিও আমেরিকা, বৃটিশ রা অনেক বড় শক্তি কিন্তু এই দেশে বর্তমানে সমস্যা সমাধানে ভারত, চীন, রাশিয়ার সাথে একান্ত গভীরভাবে আলাপ করতে হবে। তাদের কে বাংলাদেশের পক্ষে আনার জন্য চেষ্টা করতে হবে। যদি তারা বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করে তাহলে সমস্যা দ্রুত সমাধান সম্ভব। মিয়ানমার বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন ঝামেলা সমাধানে ভারত ও চীন কে এগিয়ে আসতে হবে অবশ্যই। এরাই পারে সমস্যা সমাধান করতে। রোহিঙ্গা সমস্যা আজকে নতুন নয়। এই দীর্ঘ সময়েও সমস্যা সমাধানে ভারত চীনের তেমন বড় কোন পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এর পেছনে কারণও আছে। যে কোন একটি সমস্যা হয় খুব দ্রুত তবে সমাধান করা খুবই কঠিন এবং সমাধানে একটু সময়ও লাগে। রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে বাংলাদেশ সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। মিয়ানমারের সাথে কিছু প্রভাবশালী রাষ্ট্রের অবশ্যই বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সাথেও অনেক সম্পর্ক রয়েছে। যদি তারা মিয়ানমারের উপর কোন বাড়তি চাপ প্রয়োগ করে তবে তাদেরও স্বার্থহানি হবে। আবার তারা নিজেদের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগতেই পারে। পরিচিতি: অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, জাবি. মতামত গ্রহণ: মাহবুবুল ইসলাম সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ