প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আসছে ২ লাখ কোটি টাকার এডিপি

ডেস্ক রিপোর্ট : আবার বড় উন্নয়ন কর্মসূচি নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী অর্থবছরে (২০১৮-১৯) উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হচ্ছে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা। খবর অর্থ বিভাগ সূত্রের। আর নতুন এডিপিতে চলমান প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারের নেওয়া মেগা প্রকল্প যেমনÑ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুতে রেলসংযোগ, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এসব প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হবে প্রয়োজনমাফিক। অর্থাৎ এসব প্রকল্পে বরাদ্দের বেলায় কোনো ধরনের কৃপণতা দেখাবে না সরকার। অর্থের সংকটে প্রকল্প বাস্তবায়ন পিছিয়ে যাবে এমন কোনো অপশন রাখতে চায় না অর্থ বিভাগ। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে এ ধরনের প্রাথমিক নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ বিভাগ ও পরিকল্পনা কমিশন। সূত্র জানায়, আগামী বছরের বাজেটের মোট আকার হতে পারে চার লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার, যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেশি। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার। এতে মোট রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধরা হতে পারে তিন লাখ ৪০ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা, যা চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ১৮ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি। করের আওতা বাড়ানোর জন্য এ বছর যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো সফল হলে আগামী বছরের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হবে না বলে মনে করে এনবিআর।
এদিকে আগামী বাজেটে এডিপির মোট আকার দুই লাখ কোটি টাকা ধরা হতে পারে। চলতি বাজেটে এ আকার ধরা হয়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে এডিপিবহির্ভূত এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর জন্য আরও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেটের স্বাভাবিক গতিধারা অনুযায়ী বাড়লেও আগামী বাজেটে এডিপির আকার এক লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকার মতো দাঁড়াবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচনের বছরে রেকর্ড পরিমাণ এডিপি বাস্তবায়ন করে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায় সরকার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এডিপির ২৭ দশমিক ০২ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। এ সময়ে এডিপিতে ৪৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
সূত্রমতে, চলতি বছরের শেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দিতে চায় সেতু বিভাগ। এ জন্য এ প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোতে কোনো ধরনের কার্পণ্য যেন না থাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে অর্থ বিভাগকে।
এদিকে ঢাকার যানজট নিরসনে মেট্রোরেলের কাজ ২০১৯ সাল নাগাদ শেষ হবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে কুতুবখালী পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এগিয়ে যাচ্ছে। গাজীপুর হতে বিমানবন্দর পর্যন্ত এবং বিমানবন্দর থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত বিআরটি রুট নির্মাণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্পের অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে আগামী বাজেটে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত