Skip to main content

সরকারি চাকরির ৫৬ শতাংশই কোটাভুক্তদের জন্য

ফারমিনা তাসলিম: দেশের সরকারি চাকরিগুলোতে ২৫৮ রকমের কোটা আছে। সরকারি চাকরিতে কোটাভুক্তদের জন্য বরাদ্দ আছে ৫৬ শতাংশ পদ আর বাকি মেধাবীরা ৪৪ শতাংশের জন্য লড়ছে। বর্তমানে দেশে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫৬ শতাংশ কোটা ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। তাই জেলা কোটা বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানালেন সাবেক পিএসসি চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইন। মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ১০ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রয়েছে। ১ দশমিক ৪০ শতাংশ প্রতিবন্ধীর জন্য কোটা বরাদ্দ আছে ১ শতাংশ। দশমিক ১৩ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা পোষ্যদের জন্য বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কোটা। সব মিলিয়ে মোট জনগোষ্ঠীর ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ মানুষের জন্য কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৬ শতাংশ। জেলা আর নারী কোটা মিলিয়ে আরো ২০ শতাংশ। বাকি ৪৪ শতাংশ আসনের জন্য লড়াই করছে বিপুল সংখ্যক মেধাবী। ২০০৯ সাল ও ২০১১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের সুপারিশ করেছিল পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। কোটা ব্যবস্থাকে সাধারণ নিয়মের বিচ্যুতি মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলী খান বলেন, সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থাতে একটা সাধারণ নিয়ম আছে। এই ব্যবস্থা সাধারণ নিয়মকে ভঙ্গ করে। আর জেলা কোটা তুলে দেয়ার পক্ষে মত দিলেন সাবেক পিএসসি চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইনের। বাংলাদেশের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা আছে। সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

অন্যান্য সংবাদ