প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শাকিব-অপুকে নিয়ে ডিএনসিসি’র মিশন ব্যর্থ !

জাহাঙ্গীর বিপ্লব : ব্যর্থ মিশনেই পরিণত হতে হচ্ছে চিত্রতারকা শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাসের দাম্পত্য জীবন টিকিয়ে রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিশেষ আদালতের উদ্যোগ। এরই মধ্যে প্রথম সালিশি বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে।

গত ১৫ জানুয়ারি ডিএনসিসি’র বেঁধে দেয়া সময়ে অপু বিশ্বাস গেলেও বৈঠকে হাজির ছিলেন না শাকিব খান। যার দরুণ কোনো সুরাহা ছাড়াই ভেস্তে যায় প্রথম বৈঠক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আহ্বান করা হয়েছে দ্বিতীয় বৈঠক।

কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারির সালিশেও উপস্থিত হচ্ছেন না শাকিব খান- বিষয়টা যেন অনেকটাই ষ্পষ্ট হয়ে আছে। কারণ প্রথম বৈঠকের সময় শাকিব খান বিদেশ থাকায় তিনি আসবেন কিনা, তা নিয়ে একটা ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেশে এসে শাকিব খান সাফ বলে দিয়েছেন, দ্বিতীয় বৈঠকেও যাচ্ছেন না তিনি। এমনকি তৃতীয় এবং শেষ বৈঠকেও হাজির না হওয়ার আভাস দিয়ে শাকিব খান জানান, তিনি তার সিদ্ধান্তেই অটল আছি, এসব বিষয় নিয়ে আমি আগেও মাথা ঘামাইনি, এখনও ঘামাচ্ছি। যা করার আইনের মাধ্যমেই হবে। তাছাড়া ওই সময় আমি অস্ট্রেলিয়া থাকবো।

পূর্ব শিডিউল অনুযায়ী শাকিব খান বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় ব্যস্ত আছেন নতুন একটি সিনেমার শুটিং নিয়ে। পুরো সিনেমাটির একটানা শুটিং চলবে। ১২ ফেব্রুয়ারির আগে দেশে আসার সম্ভাবনা নেই শাকিবের। তবে শাকিব খান না গেলেও দ্বিতীয় বৈঠকেও একাই ডিএনসিসি’র (অঞ্চল ৩ মহাখালী) কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

বিষয়টি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, আমি আমার জায়গায় ঠিক থাকবো। সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য যেকোনো প্রদক্ষেপ এবং বৈঠকে যাবো। শুধু তাই নয়, যে কোনো কিছুর বিনিময়েই আমি আমার স্বামী-সংসারকে ফেরত চাই। শাকিব খানের প্রতিও কোনো অভিযোগ নেই। আমার বিশ্বাস আমার জন্য না হয়, সন্তানের জন্য হলেও শাকিব খান ফিরে আসবেন। সবকিছু ভুলে নতুন জীবন শুরু করবো।’

কিন্তু অপু বিশ্বাসের এমন প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হবে- তা নিয়ে দেখা দিচ্ছে নানান শঙ্কা। কারণ তালাক কার্যকরের নির্ধারিত তিন মাস পার হতে বাকি মাত্র কিছুদিন। এদিকে শাকিব খান হাজিরা না দিলে ডিএনসিসি’র আদালতও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। তাহলে কী বিচ্ছেদই হয়ে যাচ্ছে শাকিব-অপুর দাম্পত্য জীবন? আর বিচ্ছেদ ঠেকাতে ডিএনসিসি’র এই পারিবারিক আদালতও কী তাহলে ব্যর্থ হচ্ছে বলা যায়? বিকল্প কোনো উপায় আছে কী?

জবাবে ডিএনসিসি অঞ্চল ৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘এটা আসলে একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় তাদের। বৈঠকে আমাদের উদ্দেশ্য দুজনকে বোঝানো। কিন্তু যদি তাঁদের কেউ পূর্বের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন, সে ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হবে না। আমরা আরও দুটি বৈঠকের সময় দিয়েছি। এর মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনটি বৈঠকে যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত