শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০২:২৫ রাত
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০২:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতায় ভাষা শহীদদের স্মারক স্থাপনে সেনাবাহিনীর বাধা, ক্ষুব্ধ মমতা

অতনু সিংহ : কলকাতার ময়দান চত্বরে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে রাজপথ রঞ্জিত করা ভাষা শহীদদের স্মারক স্থাপনে পুরসভাকে বাধা দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ওপার বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি কর্মীরাও ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলা ভাষাভাষিরা।

কলকাতা পুরসভার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, ২০১৬ সালে বিড়লা তারামন্ডলের সামনে ফাইবারের যে ভাষা-শহীদ স্মারক স্থাপন করা হয়েছিল, সেই মূর্তিটিকেই ব্রোঞ্চ দিয়ে পুনর্নিমাণ করে ময়দান চত্বরে স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ২১ ফেব্রুয়ারির আগেই ওই স্মারকটিকে স্থায়ীভাবে স্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু, সম্প্রতি ভারতীয় সেনা এই ব্যাপারে তাদের আপত্তির কথা কলকাতা পুরনিগমকে জানিয়ে দিয়েছে। ভারতীয় সেনার বক্তব্য, ময়দান চত্বরে নতুন করে কোনো মূর্তি স্থাপন করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বিড়লা তারামন্ডলের সামনে ১৭ লক্ষ ৪৭ হাজার রুপি ব্যয় করে ফাইবার নির্মিত ভাষা-শহীদ স্মারকটিকে বসানো হয়। ওই মূর্তিটি তৈরি করেছেন বিশ্বভারতীর বিশিষ্ট শিল্পী ও ভারতের রাজ্যসভার সাংসদ যোগেন চৌধুরী। এরপর গত বছর তাঁকেই ওই মূর্তিটিকে ব্রোঞ্চ দিয়ে পুনর্নিমাণ করার অনুরোধ করে কলকাতা পুরনিগম। এই মূর্তিটির জন্য প্রায় ৫৮ লক্ষ ২২ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভারতীয় সেনা এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেনাবাহিনীর এই বাধা প্রদানের বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও রাজ্য সরকারের অনুমোদন ছাড়া কলকাতায় সেনা নামানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে সেনাবাহিনীর বাধার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মমতা। পশ্চিমবঙ্গের বুদ্ধিজীবীরাও সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস-ঐতিহ্যের ওপর দিল্লির খবরদারির ঘটনা অনেকটা ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ্ওপর চাপিয়ে দেয়া পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের মতই। আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়