প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বিএনপির সেই শক্তি নেই আওয়ামী লীগকে বাধ্য করে দাবি অনুযায়ী নির্বাচন দেওয়ার’(ভিডিও)

ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন,রাজনীতিক নেতারা যদি জনগণকে কারো জিব্বহা কেটে নিতেম বলে, এই জাতীয় কথাবার্তা আমাদের আরও শঙ্কিত করে। আর যে দলের রাজনীতিক রুচি যদি এমন হয়। কেউ সমালোচনা করেছে বলে তার জিব্বহা কেটে নিতে হবে। আর আপনারা জনগণের দোহায় দিয়ে মানুষের জিব্বহা কাটা রাজনীতি করবেন। আপনাদের মত উন্মাদ রাজনীতিরাই এমনটি করতে পারেন। রাজনীতিবিদের মত জনগণ এত নোংরা না। আমাদের দেশের জনগণ অনেক ভদ্র। তারা কারো জিব্বহা কাটে না। ভদ্র জনগণ বলেই বিএনপি আহবানে জনগণ মাঠে নামে না।

সময় টেলিভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান সম্পাদকীয়তে ‘মাঠে ভোট’ বিষয়ক আলোচনায় তিনি একথা বলেন। এছাড়া ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

শ্যামল দত্ত বলেন,দেশে এখনো একটি আর্দশ নির্বাচনে পরিবেশ দেখতে পারছি না। একটা আর্দশ নির্বাচন দেখতে হলে সকল দলের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। এজন্য সরকারি দলের একটা কর্তব্য আছে তেমনি বিরোধী দল যারা মাঠে আছে। তাদেরও একটা দায়িত্ব আছে। কিভাবে একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা যায়। আসল লক্ষ্য যদি নির্বাচন হয় তাহলে সেটা করতে কি কি করতে হবে। সেগুলো আগে প্রাধান্য দিতে হবে।

২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে ডাকলেন বেগম জিয়া তাহলে আলোচনায় যেতেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। তার এই কথার প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন কিন্তু সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার কথা বলেনি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলেছে। থালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী বলতেন আপনি পদত্যাগ করেন আমি তারপরে গণভবনে এসে আপনার সাথে লাঞ্চ করবো। সেটি তো তিনি বলেনি। তিনি বলেছেন আপনি আগে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ মানেই সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ায় না। সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া অন্য বিষয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি শ্যামল দত্ত বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার কি আমরা এখনও জানি না। তারা ঝুঁলিয়ে রেখেছেন। এটা হয়ত তাদের কৌশল । বেগম জিয়া লন্ডন গেলেন তার বলেছিলেন। নির্বাচনকালীন রুপ রেখা আগেই দেওয়া হবে। পরে বেলেছে লন্ডন থেকে এসে দেওয়া হবে। আসার পরে বলছে এই দেয় দিচ্ছে। এখনও সহায়ক সরকারের রুপরেখা দিতে পারেনি। এটা বিএনপির কৌশল হতেই পারে। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রুপরেখা দিলে তাদের আরও কোন হাতিয়ার থাকছে না। সরকারের সাথে আলোচনার। তাই হয়ত তারা সেটা তারা দিচ্ছে না।

সরকার সংবিধানের বাইরে নির্বাচন করবে না অনড়। সংবিধানের ভেতরে রেখে নির্বাচন হলে এক ধরনের ফমূলার চিন্তা করতে হবে। আর না হলে সরকারকে বাধ্য করতে হবে। সেই বাধ্য করার মত শক্তি বিএনপি’র আছে কিনা? সেই শক্তি নেই বিএনপি’র। কারণ ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা দেখেছি নির্বাচন আটকাতে পারেনি। আওয়ামী লীগ নিয়ম রক্ষার নির্বাচন করেছে। এবারো সেটাই করবে যদি তারা আটকাতে না পারে। আগের মত আরেকটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন আওয়ামী লীগ অনুষ্ঠিত করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত