প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিজাম হাজারীর এমপি পদের রিটে ফের বিব্রত হাইকোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট: ফেনী-২ (সদর উপজেলা) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) নিজাম হাজারীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানিতে ফের বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্ট।

এ নিয়ে গত দুই বছরে আলোচিত এ রিট মামলার শুনানিতে কমপক্ষে ৯বার বিব্রত হলেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের একক বেঞ্চ রুলের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন। এখন বিধি অনুযায়ী ওই বেঞ্চ থেকে মামলার নথিপত্র পরবর্তী নির্দেশনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দপ্তরে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি বিচারপতি ফরিদ আহমেদের একক বেঞ্চ রুলের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছিলেন।

নিজাম হাজারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, নুরুল ইসলাম সুজন ও সানজিদা খাতুুন।

অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সত্যরঞ্জন মণ্ডল ও রাশিদা চৌধুরী নিলু।

রুল শুনানিতে ফের হাইকোর্ট বেঞ্চের বিব্রত হওয়ার বিষেয়ে সত্যরঞ্জন মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, এক সপ্তাহ ধরে নিয়মিতভাবেই রুলের শুনানি হয়েছে। মঙ্গলবার রিট আবেদনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকীর শুনানি করার কথা ছিল। কিন্ত বিরতির পর আদালত বিব্রতবোধ করেন।

এ নিয়ে মোট নয়বার উচ্চ আদালত বিব্রত হলেন বলেও জানান এই আইনজীবী।

এক প্রশ্নের জবাবে সত্যরঞ্জন মণ্ডল আরও বলেন, ‘বিধি অনুযায়ী এখন প্রধান বিচারপতি ফের এ মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য নতুন একক বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন। সেখানেই মামলাটি নিষ্পত্তি হবে।’

তিনি আরও জানান, বিব্রতবোধের কোন কারণ আদালত বলেননি। তাই এ বিষয়টি তার জানা নেই।

নিজাম হাজারীর কারাভোগ নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে ২০১৪ সালে ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা শাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া। পরে ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট এক আদেশে ফেনী-২ আসন কেন শূন্য ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ ছাড়া নিজাম হাজারীর সাজা ভোগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রুলের ওপর শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল শুনানিতে বিভক্ত রায় দেন। পরে বিধি অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি রিট আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য কয়েকবার হাইকোর্টের একক বেঞ্চে পাঠালেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। এখন ফের নতুন করে মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে একক বেঞ্চ গঠন করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত