প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আদালতের রায় তাদের পক্ষেও যেতে পারে

নূহ-উল-আলম লেলিন : দেশ এখন স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আছে। নির্বাচন কমিশন থেকে যেহেতু রোড ম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে, কাজেই বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, সংবিধান মেনে নির্বাচনী প্রচারণায় নামবে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণায় নামবেন, সিলেট থেকে। সিলেট থেকে প্রচারণা শুরু করা কোনো নতুন বিষয় নয়। এটি আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি ঐতিহ্য হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগসহ সকল বড় দলগুলো শাহজালালের মাজার থেকে দোয়া কামনা করে প্রচারণায় নামেন। এটি আমাদের দেশে এক ধরণের ঐতিহ্যই বলা চলে। সুতরাং আমরা জনগণ আগামী পাঁচ বছরের জন্যও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা করব। আওয়ামী লীগের সাফল্য জনগণ দেখেছে, তবুও নিয়ম অনুযায়ী প্রচারনায় নামতে হয়। আমি ধারণা করি যে, বেগম খালেদা জিয়াও এই কাজটি করা শুরু করবেন। তারা ৮ ফেব্রুয়ারীর রায় নিয়ে আগে থেকে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। আদালতে রায় তাদের পক্ষেও যেতে পারে। কিন্তু তারা সেটি না ভেবে রায় যদি তাদের বিপক্ষে যায়, তাহলে সে সুযোগ গ্রহণ করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। রায় বিপক্ষে গেলে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবে। বেগম খালেদা জিয়া হাইকোর্টে গেলে, হাইকোর্ট তো আর তাকে ফিরিয়ে দিবে না। হাইকোর্টের পরে, সুপ্রিমকোর্ট আছে, আপিল বিভাগ আছে, রিভিউ আছে। এটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থেকে মাঠ গরম করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রায় মনে হয় তারা আগেই জেনে গেছে। আমরা মনে করি, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আইনের প্রতি অশ্রদ্ধার বর্হিপ্রকাশ। আমরা আশা করব, রায় তাদের বিরুদ্ধে গেলে, তিনি স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনে অংশ নিবেন। কেননা, নির্বাচনে অংশ নিতে তার কোনো বাধা থাকবে না। আদালত তার প্রক্রিয়ায় কাজ করবেন। তিনি তার মতো করে নির্বাচন করবেন। নিম্ন আদালতের রায় দিয়ে কাউকে দোষী প্রমাণ করা যাবে না। তিনি হ্ইাকোর্টে আপিল করলে, সেই আপিল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না।
পরিচিতি : সাবেক সভাপতি ম-লির সদস্য, আওয়ামী লীগ
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত