প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি বন্ধ করতে হবে

রাজেকুজ্জামান রতন : ২০১৮ সালের শেষে সংসদ নির্বাচন হবে বলে সরকার ইতিমধ্যে তোড়জোড় শুরু করেছে। গতকাল আমাদের অর্থমন্ত্রী যে কথা বলেছেন নির্বাচনি বছরে কালো টাকা রোধে ব্যাংকঋণ বিতরণে সতর্ক হতে হবে, এ কথাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচন আসলে যেমন টাকার ছড়াছড়ি হয়ে থাকে, ঠিক তেমনি টাকা আত্মসাৎ করে থাকে কিছু মানুষেরা। যারা টাকা দিয়ে ভোট কিনে বা ভোটের রাজনীতি করে থাকে, তারা এ টাকাটা জনগনের কাছ থেকে আত্মসাৎ করেন বা ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ করেন। এর প্রমাণ আমরা দেখেছি আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে, সেখানে ৪৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ আদায় করা হয়েছিল। এ বাকী টাকা আর কখনও বাংলাদেশ ব্যাংক ফেরত পাবে না। আমাদের ব্যাকিং খাতে ঋণ খেলাপি যে পরিমান আছে সেটি পাশ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ঋণ খেলাপি অনেক ব্যক্তিবর্গ আছেন, তারা নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে থাকেন। আমাদের অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে সতর্ক হতে বলেছেন কিন্তু সতর্ক হওয়ার জন্য সঠিকভাবে পদক্ষেপ না নিলে সেটি কোনভাবে কার্যকর হবে বলে আমার মনে হয় না। আমাদের বেসিক ব্যাংক থেকে টাকা চুরি হয়েছিল, সেটি ফেরত আনতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮ শ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেল, সেটি ফেরত আনতে হবে, সোনালী ব্যাংক থেকে টাকা চুরি হয়েছিল, সেটি ফেরত আনতে হবে। তাহলে ব্যাংকিং খাতের সব নিয়ম ঠিক থাকবে। এসব উদ্যোগ নিয়ে জনগণের আমানত ফিরিয়ে আনতে হবে। এবং কালো টাকার ছড়াছড়ি এবং ঋণ খেলাপি এবং এরা যেন নির্বাচনি অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে । এ নির্বাচনি বছর উপলক্ষে আমাদের দেশে টাকার ছড়াছড়ি হবে। এটাকার ছড়াছড়িতে আমাদের দেশের মানুষের চরিত্রও খারাপ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমাদের সব দিক থেকে নজরদরি রাখতে হবে।

পরিচিতি :কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাসদ
মতামত গ্রহণ : রাশিদুল ইসলাম মাহিন
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত