প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫৭ ধারা বা তার পরিবর্তে কোনো আইন চাই না

আবু সাঈদ খান : ৫৭ ধারার মতো আইনের অবক্ষয় রোধ করা দরকার। এই আইনের কোনো প্রয়োজন নেই। যদি কেউ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যায় করে, তাদের প্রচলিত আইনে বিচার হতে পারে। যে আইন প্রিন্ট মিডিয়ার জন্য প্রযোজ্য সেটি অনলাইনের জন্য আলাদাভাবে করার প্রয়োজন কী? আমরা প্রিন্টে কোনো সংবাদ লিখলে প্রচলিত আইনের মধ্যে পড়বে কিন্তু অনলাইনে সেটি অন্য আইন হবে। এটি কেমন কথা? আমার একই লেখা অনলাইনে গেলে ৫৭ ধারায় পড়বে, এটি ঠিক নয়। এই জায়গাটির পরিবর্তন করতে হবে। এখানে সাজা কমানো বা জরিমাণার অর্থ কমানো কোনো বিষয় না। যেই আইনে করা হউক, এটি সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করার জন্য হবে। এই আইন বাতিল ছাড়া অন্য কোনো সমাধান নেই। অনলাইন ব্যবহার করে যেসকল স্ক্যান্ডাল হচ্ছে, সেগুলোর জন্য বর্তমান প্রচলিত আইন দিয়ে মোকাবিলা করা যায়। অথবা সেই আলোকে পুনঃআইন তৈরি হতে পারে। নিউজের নামে মানহানি করা হচ্ছে বলছে, কিন্তু সমালোচনা মানে তো আর মানহানি নয়। পূর্বে কিছু নিউজ নিয়ে কথা উঠেছিল। যেখানে সমালোচনাকে মানহানি ভাবা হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে পরিবর্তন আনা দরকার। ৫৭ ধারা বা তার পরিবর্তে কোনো আইন চাই না। প্রচলিত আইন দিয়ে যে কারও বিচার করা যায়। তবে আমাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, সচেতনতাবোধ হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে একটি নীতিমালা করা প্রয়োজন। কিন্তু আইনের মাধ্যমে কণ্ঠরোধ করা যাবে না।
পরিচিতি : সিনিয়র সাংবাদিক
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত