প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাঙ্গাইলে এমপি বাতেন এর অবৈধ গরু-ছাগলের হাট!

সজিব খান: টাঙ্গাইলে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ‘অবৈধভাবে’ গরু-ছাগলের হাট বসিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বাতেন এর বিরুদ্ধে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে যেকোন স্থানে হাট বসানোর ক্ষেত্রে সরকারির অনুমোধন লাগে। আর এমপি আব্দুল বাতেন বলছেন,‘হাট বসানোর ক্ষেত্রে সরকারি অনুমাদন লাগে না’।

প্রতি শুক্রবার নাগরপুর উপজেলার কোনড়া গ্রামে চলছে এমপির অবৈধ হাট। হাটটি পরিচালনা করছেন এমপি আব্দুল বাতেনের পরিবারের লোকজন। সরকারি কোন অনুমোদন না থাকলেও প্রতি শুক্রবার হাট থেকে নেয়া হচ্ছে খাজনা। আর এই ‘অবৈধ হাটের’ কারণে পাশের এলাকার লাউহাটির হাটের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

জানা যায়, এমপি আব্দুল বাতেন নিজ গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের পাকা একটি রাস্তার পাশে প্রায় দুই একর জমির ওপর ২০১৭ সালের আগস্টে সাপ্তাহিক এই হাটটি চালু করেন। দুই শতাধিক গরু ছাগল উঠেছে। প্রতি গরু বিক্রি হওয়ার পরই দুইশ’ টাকা করে খাজনা নেওয়া হচ্ছে।

হাট পরিচালনা কমিটির সভাপতি এমপির ভাই খন্দকার আব্দুল করিম বলেন, ‘হাটটি স্থাপনের জন্য তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন। তবে অনুমোদন না পাওয়ায় জনস্বার্থে তারা হাটটি চালু করেছেন।’

এদিকে এই হাটের কারণে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শতবর্ষের পুরাতন দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি হাটে ব্যবসা মন্দা দেখা দিয়েছে। প্রতি শনিবার সেখানে বৈধ হাট হয়। তার আগের দিন মাত্র এক কিলোমিটার দূরেই অবৈধ একটি হাট বসায় লাউহাটিতে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘হাট বসানোর জন্য সরকারি কোন অনুমোদন লাগে না। তিনি বলেন, ‘আপনার সম্পত্তির মধ্যে হাট বসাবেন এটি কি অনুমতি নিতে হয় নাকি? যখন এটা সরকারিকরণ করা হবে তখন সরকারি ব্যপার-সেপার রয়েছে। এখন তো অনুমোদনের কোন ব্যাপার না’

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা শাহীন বলেন, উপজেলার কোনড়ায় হাট বসানোর ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের কোন অনুলিপি আমাদের কাছে নেই। যেকোন স্থানে হাট বসানোর ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন লাগে। অনুমোদন ছাড়া হাট চলতে পারে না।

সূত্র: পরিবর্তন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত