প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হঠাৎ বেপরোয়া ছিনতাইকারীরা, ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা

ডেস্ক রিপোর্ট :  জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ছিনতাইকারীদের হাতে প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনক। মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছিনতাইয়ের সাথে জড়িতরা মাদকাসক্ত, কোনো কারণে বিভ্রান্ত অথবা বিপথগামী হয়ে উঠেছে। এদের গ্রেফতার করে সংশোধনের ব্যবস্থা করা উচিত : ভুক্তভোগীরা বলছেন, ভোর রাতে রাস্তায় টহল পুলিশ দেখা যায় না। একের পর এক প্রাণহানি ঘটছে। ছিনতাইকারীদের ঠেকাতে পারছে না পুলিশ

রাজধানীতে নৃশংস হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারীরা। একের পর এক প্রাণহানি ঘটলেও ছিনতাইকারীদের ঠেকাতে পারছে না আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মোটরসাইকেল আর প্রাইভেটকার নিয়ে মহাসড়ক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর ছিনতাইকারী। ব্যবহার করছে অস্ত্র। সাধারণ পথচারী ও রিকশায় থাকা যাত্রীদের হাতের ব্যাগ, গায়ের গহনা টেনে মুহূর্তে উধাও হয়ে যাচ্ছে এই অপরাধীরা। আর বাধা বা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেই প্রাণ হারাতে হচ্ছে নিরীহ মানুষকে। অস্ত্রের আঘাত ক্ষতবিক্ষত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গত শুক্রবার ছিনতাইকারীদের নিষ্ঠুরতায় প্রাণ গেল একটি বেসরকারি হাসপাতালের নারীকর্মী হেলেনা বেগম ও ইব্রাহিম নামে এক ব্যবসায়ীর। গতকাল সোমবার পর্যন্ত দু’টি ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। গত দুই মাসে ছিনতাইকারীর হাতে শিশু, নারীসহ চারজন খুন হয়েছেন। আহতের সংখ্যা কয়েক শত। ছিনতাইকারীর হাতে শুধু সাধারণ মানুষ খুন হয় তা নয়, গত ২১ জুন ভোরে মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় ছিনতাইকারীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন খোদ এএসপি মিজানুর রহমান তালুকদার।

গত রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর অধিকাংশ সড়কে পুলিশের তল্লাশিচৌকি ও টহল পুলিশ নেই। ভোরবেলা বাসস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশন থেকে আসা যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের কবলে পড়লেও সে সময় পুলিশের টহল খুব একটা চোখে পড়েনি। গতকাল সোমবার ভোরে রাজধানীর মহাখালী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর এলাকা ঘুরে পুলিশের টহল চোখে পড়েনি। সড়কে পুলিশের ডিউটি থাকলেও রাস্তার পাশে গাড়িতেই তাদের ঘুমাতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, রাজধানীর অনিন্দ্যসুন্দর সকালের পিচঢালা পথকে রক্তাক্ত করে তুলছে ছিনতাইকারীরা। রাস্তা থেকে নির্বিঘেœ কেউ বাসায় যেতে পারবে- এমন নিশ্চয়তা নেই। পথে পথে ছিনতাই আতঙ্ক। ভোরের ঢাকায় পুলিশি নিরাপত্তার ঢিলেঢালা দৃশ্যপটের সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক  বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাইকারীদের হাতে একের পর এক যে প্রাণহানি ঘটছে তা উদ্বেগজনক। ছিনতাইকারী বেড়ে যাওয়ায় সমাজের সবাই উদ্বিগ্ন। ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার ও মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রের হলেও এ জন্য সমাজের সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান  বলেন, যেভাবে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে, তা বড় সমস্যা। যারা ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত, তারা হঠাৎ করেই এমন হয়ে উঠেনি। একটা প্রজন্ম যারা এ ধরনের অপরাধের সাথে জড়িত, তারা হয় মাদকাসক্ত, না হয় অন্য কোনো কারণে বিভ্রান্ত হয়ে বিপথগামী হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, এদের গ্রেফতার করে সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তবে গ্রেফতারের পর অনেকেই আবার দ্রæত সময়ের মধ্যে হয় বেরিয়ে আসছে, না হয় পুলিশের কাছে থেকেই ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, ছিনতাই প্রতিরোধে সক্রিয় রয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ছিনতাই বন্ধে টহল জোরদার এবং পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িগুলোকে সক্রিয় করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ছিনতাই পরিস্থিত নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান  বলেন, ঢাকায় ছিনতাইসহ যে কোনো অপরাধ ঠেকাতে র‌্যাব কাজ করছে। কিছু ক্ষেত্রে ত্বরিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঠেকানো সহজ বিষয় নয়। দিনের আলো ওঠার আগে টার্মিনাল থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে যাওয়ার সময় লোকজন ছিনতাইকারীর কবলে পড়ছেন। এ জন্য যাত্রীদের দিনের আলো ফোটার পর রাস্তায় বের হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীদের হাতে প্রাণ হারানোর বিষয়টি কারো কাম্য নয়। এরই মধ্যে র‌্যাবের হাতে অনেক ছিনতাইকারী ধরা পড়েছে। র‌্যাব এ ধরনের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুই মাসে ছিনতাইকারীর হাতে শিশু, নারীসহ চারজন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে গত শুক্রবারই পৃথক ঘটনায় নারীসহ দুজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার ভোরে ধানমন্ডি ৭ নম্বর রোডের মাথায় ব্যাগ ধরে হ্যাঁচকা টান দেয়ায় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী হেলেনা বেগম। প্রায় একই সময় সায়েদাবাদ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন খুলনার ব্যবসায়ী ইব্রাহিম। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর সকালে দয়াগঞ্জ এলাকায় ছিনতাইকারীদের হ্যাঁচকা টানে মায়ের কোল থেকে পড়ে প্রাণ হারায় পাঁচ মাসের শিশু আরাফাত। মা তার সন্তানকে কোলে নিয়ে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন। গত ৫ ডিসেম্বর একইভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে মারা যান জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক ফরহাদ আলম (৪০)। আর ৮ অক্টোবর টিকাটুলিতে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে তাদের ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান বেসরকারি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু তালহা খন্দকার। এ রকম ছিনতাইয়ের ঘটনা এখন প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর কোথাও না কোথাও ঘটছে।

ভুক্তভোগী ব্যক্তি, হাসপাতালসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, গত দুই মাসে (ডিসেম্বর থেকে গত ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০০ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু মহানগর পুলিশের সদর দফতরের দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক মাস ২৭ দিনে ছিনতাই ও দ্রæত বিচার আইনে মামলা হয়েছে মাত্র ১৫টি। বেশির ভাগ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেয়। গত ২৬ ডিসেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে মিরপুর বেড়িবাঁধে বিরুলিয়া সেতুর কাছে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাইকারীরা নিজাম উদ্দিনের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তিনি রূপনগর থানায় গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে জিডি করার পরামর্শ দেয়। পরে তিনি মামলা করতে না পেরে বাসায় ফিরে যান বলে জানা গেছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর ১৪০টি স্পটে প্রায় দেড় শতাধিক ছিনতাইকারী চক্র এখন সক্রিয়। প্রতিটি চক্রে পাঁচ থেকে ১০ জন করে সদস্য রয়েছে। এদের মধ্যে কিছু চক্র টানা পার্টি নামে পরিচিত। তারা পথচারীদের কাছে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ, ল্যাপটপের ব্যাগ ও মোবাইল ধরে টান দিয়ে দৌড়ে পালায়। আবার কিছু চক্র পিস্তল ও ছুরা ঠেকিয়ে ছিনতাই করে থাকে। এই চক্রের মধ্যে কিছু আবার প্রাইভেটকার বা মোটরসাইকেল নিয়ে ছিনতাইয়ে নামে। তারা দাপিয়ে বেড়ায় নির্ধারিত এলাকায়। বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের আটক করে। কিন্তু তারা জামিনে বের হয়ে আবার ছিনতাইয়ের কাজে নেমে পড়ে। অনেকে আবার পুলিশকে ম্যানেজ করে থানা থেকেই ছাড়া পায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে যাত্রাবাড়ী মোড়, জুরাইন রেলগেট, পোস্তগোলা ব্রিজ ও আশেপাশের এলাকা, কমলাপুর রেলস্টেশন ও পীরজঙ্গি মাজার এলাকা, টিকাটুলি মোড়, বঙ্গভবন এলাকা, গোপীবাগ এলাকা, মতিঝিল কালভার্ট রোড, আরামবাগ, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, দয়াগঞ্জ, পুরানা পল্টন মোড়, কাকরাইল মোড়, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল এলাকা, পুলিশ লাইন থেকে শাহজানপুর, খিলগাঁও রেলগেট থেকে তেজগাঁও রেললাইন, ফার্মগেট ওভারব্রিজ এলাকা, তেজতুরি বাজার, তেজকুনি পাড়া, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা, মৎস্যভবন, শিশুপার্ক ও শাহবাগ মোড়, দোয়েল চত্বর থেকে চাঁনখারপুল, আজিমপুর, নিউমার্কেটের দক্ষিণের রাস্তা, সদরঘাট, টিপু সুলতান রোড, গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল হয়ে দারুসসালাম, মিরপুর গোল চত্বর, চিড়িয়াখানা রোড, বিআরটিএ এলাকা, ভাসানটেক, কামরাঙ্গীরচর এলাকা, মিরপুর বেড়িবাঁধ, খিলক্ষেত থেকে বিমানবন্দর, মোহাম্মদপুর, বছিলা, বনশ্রী থেকে ডেমরা রোডগুলো ছিনতাইয়ের ডেঞ্জার জোন নামে পরিচিত। এসব স্থানে প্রকাশ্য দিনদুপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এবং ভোরে এসব স্থান দিয়ে পথচারীদের আসা-যাওয়ায় আতঙ্ক বিরাজ করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল হাসপাতাল, স্যার সলিমল্লাহ মেড্যিাকল কলেজ হাসপাতালে গত দুই মাসে অন্তত দুই শতাধিক ভুক্তভোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকই প্রাথমিক চিকিৎসা আবার অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঢামেকের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা নিতে আসা বেশির ভাগই ছুরার আঘাতের রোগী। সাধারণ জখম হলে প্রাথমিক চিকিৎসা আর মারাত্মক জখমের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। এর বাইরে ছোটখাটো আঘাতের জন্য বেসরকারি হাসপাতালেও যান অনেকে। তবে ছিনতাইয়ের ঘটনার শিকার ভুক্তভোগীরা অনেকেই থানা পুলিশের ঝামেলা এড়ানোর জন্য মামলা করতে চান না বলে জানিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। অহরহ মানুষ ছিনতাইয়ের শিকার হলেও থানায় অভিযোগ দায়েরের সংখ্যা নেই বললেই চলে। রক্তাক্ত জখম বা প্রাণহানি হলেই কেবল মামলা হয় থানায়। গত ১৩ জানুয়ারির ঘটনা। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার সামনে থেকে চার ব্যক্তি একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে। চালককে তারা ফার্মগেট যাওয়ার কথা বলে। সড়কে তীব্র যানজট থাকায় গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছিল। এই সুযোগে যাত্রীরা চালকের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে উঠে। ফার্মগেট পৌঁছার পর তারা চালককে চা খাওয়ার প্রস্তাব দেয়। চালক রাজি হলে কৌশলে চায়ে কিছু একটা মিশিয়ে দেয় তারা। এতে ধীরে ধীরে সিএনজি চালক ইসকেন্দার নিস্তেজ হতে থাকেন। অসুস্থ হওয়ার কথা বলে তারাই তাকে হাসপাতালে নেয়ার নাম করে সিএনজিতে তুলে। পরে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে তাকে ফেলে দিয়ে সিএনজি নিয়ে চলে যায়। পরে ইসকেন্দার সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। এ নিয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

ক্লুলেস এই মামলা নিয়ে গোয়েন্দারা কাজ করে দুইজনকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে তাদের কাছ থেকে চুরি করা সিএনজিও উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা মূলত ছিনতাইকারী। এভাবেই তারা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে ছিনতাই করে। গত পহেলা জানুয়ারি মিরপুর এলাকায় এক নারীর ব্যাগ টান দিয়ে ধরা পড়ে এক ছিনতাইকারী। তার কাছ থেকে মেলে ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য-প্রমাণ। পুলিশ তাকে নিয়ে মিতালী হাউজিংয়ের ১৬ নম্বর বাসায় অভিযান চালালে ৬০টি ব্যাগ, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার, ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড, ২৫০টি বাসার চাবি, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ আরো মূল্যবান অনেক জিনিস পাওয়া যায়।

উৎসঃ ইনকিলাব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত