প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্রিকেট থেকে ৮ বছরে আয় ১২০৭ কোটি টাকা

আসাদুজ্জামান সম্রাট : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বিগত ৮ বছরে ১ হাজার ২০৭ কোটি ৩ লাখ টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। এর মধ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২২৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আয় হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার এ তথ্য জানান।

সরকার দলীয় সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বাবুর এ বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, বিসিবি ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১০৪ কোটি ৩ লাখ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১৩৯ কোটি ৪৮ হাজার টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১২৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১০১ কোটি ১ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছওে ১৬৫ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৮১ কোটি ১৬ লাখ টাকা আয় করেছে। তিনি বলেন, বিসিবিকে সরকার কোনো অর্থ দেয় না। সব কাজ তারা নিজস্ব অর্থায়নে নির্বাহ করে।’

বিরোধী দলের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতি বছর ক্রীড়া সামগ্রী ৮ বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাকে ৫০ হাজার টাকা এবং ৬৪ জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ১ লাখ টাকা করে দেয়া হয়। চলতি অর্থবছরে ৪৯০টি উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকেও ১ লাখ টাকা করে দেয়া হচ্ছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেছেন, প্রতি বছর ক্রীড়া সামগ্রী ৮ বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাকে ৫০ হাজার টাকা এবং ৬৪ জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ১ লাখ টাকা করে দেয়া হয়। চলতি অর্থবছরে ৪৯০টি উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকেও ১ লাখ টাকা করে দেয়া হচ্ছে। সোমবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসিসি উত্তর-দক্ষিণে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স ২৩০ কোটি টাকা : এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের বাড়ির মালিকরা হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ২৩০ কোটি ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৯৭ টাকা বকেয়া রেখেছে। তবু ঢাকায় শুধু মশা মারার কাজে ২৮৮ জনকে নিয়োজিত রেখেছে সরকার।

তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেসন এলাকার বাড়ির মালিকদের কাছে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ২৯৭ টাকা বকেয়া রয়েছে। আর উত্তর সিটি কর্পোরেসনের বাড়ির মালিকদের কাছে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে।

দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামে তে ৩৯৬ পদ রয়েছে। এর মধ্যে শূন্য ৭৪টি পদে লোক নিয়োগের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। তিনি আরো জানান, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীরা ডিসিসি উত্তর ও দক্ষিণে প্রেষণে কর্মরত আছেন। তারা সিটি কর্পোরেশনের সাথে যৌথভাবে মশক নিধনের কাজ করছে।

সর্বাধিক পঠিত