প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে
প্রগতিশীল ছাত্র জোটের এক মাসের কর্মসূচি ঘোষণা

আল-আমীন আনাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে সোমবার সারাদেশে ছাত্র ধর্মঘট পালন করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী’র ব্যানারে ছাত্ররা সমাবেশ করতে গেলে তাদের উপর ১৫ জানুয়ারি হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এর প্রতিবাদ জানাতে ২৩ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে আবারো আন্দোলনকারীদের লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দেয়।

এর প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্রজোট গত ২৪ জানুয়ারি মধুর কেন্টিনে এক সংবাদ সম্মেলন করে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২৯ জানুয়ারির ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এ ধর্মঘটে সমর্থন জানায়। সে ঘোষণা অনুযায়ী, আজ (সোমবার) সকাল ৭টা থেকে অন্দোলনকারী ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববদ্যিালয়ের কলা ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে।

তবে, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ফটকে ধর্মঘট আহ্বানকারীরা তালা ঝুলিয়ে দিলেও কে বা কারা তা ভেঙে ফেলে। বাণিজ্য অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও কার্জন হলে বেশ কয়েকটি বিভাগে ক্লাস শুরু হয়েছে।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে একমাসের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে ধর্মঘট শেষে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক ইমরান হাবিব রুমন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বহিস্কার না করা হলে আগামী ৩১ জানুয়ারি সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দাবিপক্ষ পালন করা হবে। এরপরও দাবি আদায় না হলে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ভিসি ও রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এছাড়া আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করা হলে গণতদন্ত কমিটি করে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

জোটের সমন্বয়ক ইমরান হাবিব রুমন জানান, সারাদেশে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ব্যানারে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করছে ছাত্রলীগ। তিনি চার দফা দাবি ফের তুলে ধরেন। সেগুলো হলো- ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল,সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঠেকাতে প্রশাসনের ব্যর্থতা দায়ে প্রক্টরের অপসারণ, হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বহিষ্কার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত