প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কুড়োনো সংলাপ : ছত্রিশ

তুষার আবদুল্লাহ
গুলশান থেকে আড়াই ঘণ্টাতেও গাড়িতে কাওরান বাজার পৌঁছতে পারিনি। এটি শনিবারের খবর। রোববার সকালে পুলিশ প্লাজা থেকে বাংলামটর আসতে গাড়িতে লাগলো দুই ঘণ্টা । কোন ভিআইপি যাতায়াত নেই। রেলে ক্রসিং এর নামা উঠা নেই। তবুও। দুপুরে বাংলামটর থেকে ফুলার রোড রিকশায় পঞ্চান্ন মিনিট। পান্থপথ সিগন্যাল থেকে বাংলামটর আধঘণ্টা। জীবনের সময় গুলো পথে রেখে আসছি বাহনের সংখ্যা বেড়ে গেছে, গাড়ির চাপ বেশি শুধু সেই জন্যই নয়। এফডিসি থেকে টিসিবি মোড়ে এসে গাড়ি ডানদিকে মোড় নিতে গিয়ে যে জট তৈরি করছে তার লেজ হাতির ঝিলের রামপুরা প্রান্তে গিয়ে ঠেকছে। দরকার ছিল ট্রাফিক পুলিশের তদরাকি। কিন্তু তিনি তাকিয়ে জট উপভোগ করেন প্রতিদিন। একই কান্ড করেন পান্থপথ মোড়ের ট্রাফিক পুলিশেরাও। তিনদিক একযোগে ছেড়ে দিয়ে তামাশা চলে। শহরের অন্যান্য চৌরাস্তা বা মোড় গুলোতেও একই হাল। এই অভিজ্ঞতা বলছিলাম আড্ডাতে। আড্ডার একজন বন্ধু বললেন- তবুওতো আপনাদের লজ্জা হয় না। -কিসের লজ্জা? বেহায়ার মতো পথে বসে থাকেন কেন?
-তাহলে কি করবো? বাড়িতে বসে থাকবেন। -কাজ করবে কে? নিজে কাজ করবেন বলে অন্যের কাজ বাড়িয়ে দেবেন, পথেতো বসবেন না তো বসবেন কোথায়?
পরিচিতি : পরিচালক, সময় টেলিভিশন/ ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত