শিরোনাম
◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সরকারের মেয়াদ বাড়বে এমন তথ্য ভিত্তিহীন: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ◈ বয়কট গুঞ্জনে পাকিস্তানের ঘুম হারাম করে দিলো আইসল্যান্ড ◈ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমান, আ.লীগ ও ভারত প্রশ্নে যা বললেন ◈ যুক্তরাজ্যে লরিতে লুকিয়ে ২৩ বাংলাদেশিকে পাচারের চেষ্টা, আটক ৫ ◈ আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ ◈ এনসিটি বিদেশিদের দিতে চুক্তির বিরোধিতায় চট্টগ্রাম বন্দরে দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক ◈ শিশির মনিরের নির্বাচনী প্রচার গাড়িতে হামলা, আহত ২ ◈ সি‌রি‌জের প্রথম ম‌্যা‌চে অস্ট্রেলিয়াকে ২২ রা‌নে হারা‌লো পাকিস্তান ◈ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন ট্রফি দেশের মানুষকে উৎসর্গ করলেন অ‌ধিনায়ক সাবিনা খাতুন  ◈ বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন‌্য নিরাপত্তায় অস্ত্রধারী কমা‌ন্ডো ইউ‌নিট মোতা‌য়েন কর‌বে শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:০৫ সকাল
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাবুলে হামলায় শোক, বাড়ছে ক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট: কাবুলে আত্মঘাতী অ্যাম্বুলেন্স বোমা হামলায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে। নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে আফগানরা।

শনিবার দুপুরের ওই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩ জন এবং আহতের সংখ্যা ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সরকার রোববার দেশে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছে।

তালেবান হামলার দায় স্বীকার করেছে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে চালানো হামলার দায়ও স্বীকার করেছিল বিদ্রোহী এই গোষ্ঠী। গত মে মাসের পর থেকে কাবুলে শনিবারের হামলাটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী। এ হামলার ঘটনায় আফগানদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

নিরাপত্তায় অভাবের কারণে কয়েকটি বিদেশি সংগনঠনও আফগানিস্তানে তাদের উপস্থিতির বিষয়টি পুনরায় ভেবে দেখছে বলে খবর পাওয়া গেছে। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।

তাদের প্রশ্ন, “আমরা কিভাবে বেঁচে আছি? আমরা যাব কোথায়?”, “আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। আমদের উপযুক্ত সরকার নেই। আমরা কি করব?”

টুইটারে শোকার্ত একজনের উক্তি, “আমরা এতটাই ভেঙে পড়েছি যে নতুন দিন কিভাবে শুরু করব তাও জানিনা।”

ফেইসবুকে আরেকজনের মন্তব্য, “এটি সরকারের জন্য একটি বিরাট লজ্জ্বার ব্যাপার। নেতাদেরকেও তাদের ছেলে বা মেয়ে হারাতে হলে তারা গরিব জনগণের দুঃখ বুঝতে পারতেন।”
আফগানিস্তানে একের পর এক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা তল্লাশি জোরদার করা হলেও শনিবারের হামলাটিতে এম্বুলেন্স ব্যবহারের কারণে সহজেই চেকপয়েন্ট অতিক্রম করে হামলা চালানো সম্ভব হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসরাত রাহিমি বলেছেন, নিরাপত্তা তল্লাশিকেন্দ্রে পুলিশকে রোগী হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে হামলাকারী ছাড় পেয়ে যায়। এরপর দ্বিতীয় একটি চেকপয়েন্টে গিয়ে সে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়।

হামলায় এম্বুলেন্স ব্যবহার খুবই ‘মারাত্মক ব্যাপার’ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি।
তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, তার দল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দোসরদের এ স্পষ্ট বার্তাই দিয়েছে যে, তারা আগ্রাসী নীতি নিয়ে চললে এবং বন্দুকের ভাষায় কথা বললে বিনিময়ে তারা আফগানদের কাছ থেকে ফুল ফোটানোর আশা করতে পারবে না।
কাবুলে এম্বুলেন্স বোমা হামলার পর তালেবানের বিরুদ্ধে ‘চূড়ান্ত ব্যবস্থা’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।

এর আগে গত বছর ট্রাম্প আফগানিস্তানে আরো বেশি সেনা পাঠিয়ে বিমান হামলা জোরদার করা এবং আফগান বাহিনীকে সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সূত্র : বিডিনিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়